ফারদিন হত্যা: ‘প্রেমিকা’ ৫ দিনের রিমান্ডে

তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর গত ৭ নভেম্বর সন্ধ্যার দিকে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশের (২৪) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় ফারদিনের বাবা কাজী নূর উদ্দিন বাদী হয়ে বুধবার (৯ নভেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর রামপুরা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ফারদিনের বান্ধবী আয়াতুল্লাহ বুশরাসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

ওই মামলায় বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর রামপুরার বাসা থেকে বুশরাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার বুশরাকে সাতদিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। রাজধানীর রামপুরা থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ আবেদন করে। 

পরে দুপুরে আয়াতুল্লাহ বুশরাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর রামপুরা থানার মামলায় সুষ্ঠু তদন্তের প্রয়োজনে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রেপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অপরাধ ও তথ্য শাখার উপ পরিদর্শক মো. সেলিম রেজা সংবাদমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।

এর আগে বুশরাকে গ্রেপ্তারের পর রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, “মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ফারদিন নূরের বান্ধবীসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা তার ছেলেকে হত্যা করে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে নদীতে ফেলে দিয়েছেন।”

পুলিশ জানায়, ফারদিনের বান্ধবী বুশরা একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে পড়াশোনা করছেন। চার বছর ধরে ওই বান্ধবীর সঙ্গে ফারদিনের “প্রেমের” সম্পর্ক রয়েছে।

ফারদিন নূর বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বুয়েটের ড. এম এ রশীদ হলে সংযুক্ত থাকলেও হলে থাকতেন না। পরিবারের সঙ্গে ঢাকার কোনাপাড়া এলাকায় থাকতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা উপজেলায়।

আরও পড়ুন-