রাজধানীর কদমতলীর জুরাইন এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনিস্টিউটে ভর্তি করা হয়েছে। দগ্ধদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
রবিবার (১৩ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা। দগ্ধরা হলেন-আলতাফ সিকদার (৭০), তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৫০), মেয়ে মুক্তা খাতুন (৩০), তার স্বামী আতাহার (৩৫) ও তাদের মেয়ে আফসানা (৫)।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মো. বাচ্চু মিয়া জানান, দগ্ধ পাঁচজনের মধ্যে মেয়ে মুক্তা, তার স্বামী ও শিশুসহ তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকি দুজন শঙ্কামুক্ত।
তাদের মধ্যে আতাহারের ৫০%, আলতাফ সিকদারের ২%, মুক্তা খাতুনের ৪৫%, মর্জিনা বেগমের ৫% ও শিশু আফসানার ২৫% দগ্ধ হয়েছে।
দগ্ধ আলতাফ সিকদারের শ্যালক মো. মাহাবুব জানান, জুরাইন মাদবর বাজার সলিমুল্লাহ রোডের একটি বাসায় থাকতেন তার বোনের পরিবার।
তিনি বলেন, “আমি যতটুকু শুনেছি, তাদের পাশের বাসার গ্যাসের লাইন লিকেজ হয়ে আমার ভগ্নিপতির বাসায় গ্যাসে আচ্ছন্ন হয়ে ছিল। রাত ২টার দিকে ভাগ্নি মুক্তা রান্নাঘরে চুলা ধরাতে যায়। দেশলাইয়ের কাঠি ধরাতেই বিস্ফোরণ হয়ে গোটা রুমে আগুন ধরে যায়। এতে তারা দগ্ধ হয়। খবর শুনে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি।”
তিনি আরও বলেন, “ওই এলাকায় বেশির ভাগ সময়ে গ্যাস থাকে না। থাকলেও একেবারে কম, তা দিয়ে রান্না করা সম্ভব হয় না। তবে রাতে আবার গ্যাস থাকে। তাই রাতেই রান্নার কাজ বেশি করা হয়।”
আলতাফ সিকদারের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নে।