রাজধানীর মগবাজার এলাকার একটি বাসা থেকে ফারজানা (১৪) নামের এক গৃহকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে খবর পেয়ে বড় মগবাজার এলাকার একটি ভবনের তৃতীয় তলার বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রবিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়।
হাতিরঝিল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ রাকিবুল আলম ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শাহাবুদ্দিন সবুজ নামের টায়ার ব্যবসায়ীর বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন ফারজানা ।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, “গৃহকর্তা শাহাবুদ্দিন সবুজ ব্যবসায়িক কাজে বরিশালে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন। তার দাবি, শনিবার রাত দেড়টার দিকে বাসায় ফিরে এসে ড্রয়িংরুমের বাথরুমের দরজা বন্ধ পান। বেশ কিছু সময় পার হয়ে গেলেও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বাসার লোকজন মিলে দরজা ভেঙে দেখতে পান বাথরুমে কাপড় রাখার পাইপের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলে আছে ফারজানা। এরপর তারা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
গৃহকর্তা শাহাবুদ্দিন সবুজ জানান, ফারজানা তার বাসায় তিন বছর ধরে গৃহকর্মীর কাজ করছে।
তিনি বলেন, “আমার স্ত্রী ক্যান্সারের রোগী। সে এবং আমার ৯ বছর ও ১২ বছর বয়সী দুই ছেলে বাসায় ছিল। তবে, ফারজানা কী কারণে আত্মহত্যা করেছে সেটি আমরা জানি না।”
তিনি জানান, ফারজানার বাড়ি ভোলার তমিজ উদ্দিন উপজেলার চর জহুরদ্দিন গ্রামে। তারা বাবার নাম রবিউল, মায়ের নাম আছিয়া বেগম।
তবে এসআই রাকিবুল আলম জানান, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা সেটি তারা খতিয়ে দেখছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।