ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে তিন মাস পর জন্মনিবন্ধন শুরু

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (ডিএসসিসি) তিন মাস পর জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধনের কাজ আবারও শুরু হয়েছে। নিজস্ব সার্ভার তৈরি করে বুধবার (৪ অক্টোবর) থেকে এই সেবা চালু করে তারা।

ডিএসসিসির অঞ্চল ২-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সুয়ে মেন জো এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজস্বের অর্থ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ডিএসএসসিতে নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এতে নাগরিকদের ভোগান্তি বেড়ে যায়। অনেকেই জরুরি প্রয়োজনে জন্মনিবন্ধন করতে পারেননি। সেপ্টেম্বর মাস থেকে ডিএনসিসির ১ থেকে ৩৬ পর্যন্ত পুরোনো ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের কার্যালয়গুলোকে নিবন্ধনের কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া ডিএনসিসির ৩৭ থেকে ৫৪ নম্বর পর্যন্ত নতুন ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়গুলোর সচিবের পদ শূন্য আছে। তাই সেখানে নিবন্ধনের কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। সেই ওয়ার্ডগুলোর নাগরিকেরা আঞ্চলিক কার্যালয়ে গিয়ে নিবন্ধন করেন।

তবে ডিএসএসসিতে আগের মতো আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোতেই নিবন্ধন কাজ চলবে।

সুয়ে মেন জো বলেন, “বুধবার অনলাইনে বেশ কিছু আবেদন জমা হয়েছে।”

ডিএসসিসি সূত্র বলছে, স্বতন্ত্র সার্ভারের মাধ্যমে নিবন্ধন সেবা চালু করা হয়েছে। জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন, রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের সার্ভার থেকে সারা দেশে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধনের কাজ হয়। এর বাইরে গিয়ে নিজস্ব সার্ভার চালু করেছে ডিএসএসসি।

https://bdris.dscc.gov.bd এখানে গিয়ে অনলাইনে নিবন্ধন করা যাবে। সারা দেশে যে সার্ভারে নিবন্ধন হয়, সেটা হচ্ছে https://bdris.gov.bd।

ঢাকা দক্ষিণ সিটির নিবন্ধন কর্মকর্তারা জানান, এই সার্ভারে আবেদনে ভুল হলে সেটি অনলাইনে ঢুকে সংশোধনের ব্যবস্থা আছে। ফলে ভোগান্তি কমবে।

সাধারণত নিবন্ধন ভুল হলে সংশোধনের জন্য নতুন আবেদন করতে হয়। জন্ম দিন ও মাস স্থানীয়ভাবে সংশোধনের সুযোগ থাকলেও নাগরিকদের জন্ম সাল সংশোধনে রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে আবেদন করতে হয়। ডিএসএসসিতে জন্ম সাল সংশোধন করবেন মেয়র।  
সূত্র জানায়, স্বতন্ত্র সার্ভার হওয়ায় এখন থেকে নিবন্ধন ফির অর্থ সরাসরি পাবে ডিএসসিসি।

এর আগে, জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন কাজে কর্পোরেশনের ব্যয়ের পুরো টাকা সরকার পরিশোধ না করা পর্যন্ত নিবন্ধনের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন ডিএসসিসির মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।