বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড: নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন দোকান মালিক সমিতির

ঢাকার বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে আগুন লাগার মতো ঘটনা আর দেখতে চান না জানিয়ে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেছেন, “যেসব রেগুলেটরি বোর্ড এই ভবনে ব্যবসার অনুমতি দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিক। এ ধরনের ঘটনা আবার ঘটুক এটা আমরা চাই না। যার ত্রুটি থাকবে তার বিরুদ্ধে সরকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিক। সেটা যদি কোনো ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে হয় তবে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে, আর যদি কোনো সংস্থার বিরুদ্ধে হয় তবে সেটা সংস্থার বিরুদ্ধে।”

শনিবার (২ মার্চ) বেইলি রোডে পুড়ে যাওয়া ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

হেলাল উদ্দিন বলেন, “আপনারা সবকিছু বাণিজ্যিকিকরণ করবেন আর সেটার মাধ্যমে মানুষের জীবন চলে যাবে, এটা হতে পারে না। যে রেগুলেটরি বোর্ডের বিরুদ্ধে সমস্যা সরকার তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।”

তিনি বলেন, “এখানে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হয়েছে, কাস্টমারদেরও ক্ষতি হয়েছে। তাদের জীবন চলে গেছে। আমাদের শত কোটি টাকা এখানে নষ্ট হয়েছে। যারা রেগুলেটরি বোর্ডে আছে তাদের কোনো শাস্তি হয় না।”

দোকান মালিক সমিতির সভাপতি বলেন, “বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সঙ্গে আলোচনা করে মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন স্টেক হোল্ডাররা বিভিন্ন মার্কেটগুলো পরিদর্শন করেন। সেখানে আমরা দেখলাম, কোথাও বিদ্যুতে সমস্যা, কোথাও ফায়ার সমস্যা। সমস্যা যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে, এখন ফায়ার সেফটিতে যারা কাজ করেন, তারা এক সময় ফায়ার বিগ্রেডে কাজ করতেন। তারা ফার্মগুলো খুলেছে। এখন একেক মার্কেটে গিয়ে বলছেন তিন থেকে পাঁচ কোটি টাকা লাগবে ফায়ার সেফটির জন্য।”

তিনি বলেন, “প্রশ্ন হচ্ছে, এত বড় অঙ্কের টাকা আমরা কোথায় পাবো?  সরকার বলেছে, ফায়ার সেফটির জন্য বিদেশ থেকে যত মালামাল আসবে, সেগুলো ট্যাক্স ফ্রি থাকবে। এটা দেশের মানুষের জন্য করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা যখন বিভিন্ন সংস্থার কাছে যাচ্ছি, তখন তারা সেই কাজটি করছেন না।”