ঢাকার বেইলি রোডের “গ্রিন কোজি কটেজে” লাগা আগুনের ঘটনায় ওই ভবনের ম্যানেজার হামিমুল হক বিপুলকে আটক করেছে রমনা থানা পুলিশ।
শনিবার (২ মার্চ) দুপুরে তাকে আটক করা হয়। এরপর ভবনের বিভিন্ন ত্রুটির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উৎপল বড়ুয়া। তিনি জানান, ম্যানেজারকে আটক করা হয়েছে। ভবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৪৬ জনের মধ্যে থেকে এ পর্যন্ত ৪৩ জনের লাশ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি তিনটি লাশের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে দুটি এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে রয়েছে একজনের লাশ। ঢাকা মেডিকেলে যে দুইজনের লাশ আছে, তাদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। অপরদিকে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে থাকা সাংবাদিক অভিশ্রুতি শাস্ত্রীর পরিচয় জটিলতায় তার লাশও হস্তান্তর করেনি কর্তৃপক্ষ।
গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে গ্রিন কোজি কটেজ নামের ভবনে আগুন লাগার পর তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। নিচতলায় লাগা আগুন উঠে যায় ওপরের সাত তলা পর্যন্ত।
ভবনটির দোতলায় ছিল বিরিয়ানির পরিচিত খাবার দোকান “কাচ্চি ভাই”-এর শাখা, পোশাকের ব্র্যান্ড “ইলিয়েন”। নিচের তলায় স্যামসাংয়ের শোরুমসহ আরও বেশ কিছু দোকান। স্যামসাংয়ের শোরুমের পাশে রয়েছে একটি কফি শপ। এরকম কফির দোকানসহ ফাস্টফুডের অনেকগুলো দোকান ও রেস্তোরাঁ রয়েছে ভবনটিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে।