ঢাকার বেইলি রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মারা যাওয়া বৃষ্টি খাতুনের (অভিশ্রুতি শাস্ত্রী) দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (১১মার্চ) রাত ৯টা ৫০মিনিটের দিকে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বেতবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বনগ্রাম পশ্চিমপাড়ায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
স্থানীয় বেতবাড়ীয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুল মজিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, রাত সাড়ে ৮টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বৃষ্টির মরদেহ গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছায়।
আব্দুল মজিদ বলেন, ‘‘রাত সাড়ে ৮টার দিকে বৃষ্টির মরদেহ গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছায়। এরপর জানাজা শেষে রাত ৯টা ৫০মিনিটের দিকে কুষ্টিয়ার খোকসার বনগ্রাম পশ্চিমপাড়ায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।’’
ঢাকার ইডেন কলেজের দর্শন বিভাগের ছাত্রী বৃষ্টি বেইলি রোডের গ্রিন কোজি ভবনের আগুনে মৃত ৪৬ জনের একজন। সাততলা ভবনটিতে সেদিন নিহতদের বেশিরভাগই সেখানে গিয়েছিলেন বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে খাওয়াদাওয়া করতে।
মৃত্যুর পর নারী সাংবাদিককে বন্ধুবান্ধব ও সাবেক সহকর্মীরা চিহ্নিত করেন অভিশ্রুতি শাস্ত্রী নামে। কিন্তু, বাবা-মা প্রথম থেকেই দাবি করে আসছিলেন মেয়েটির নাম বৃষ্টি।
এদিকে, সবুজ ও বিউটি মুসলিম ধর্মাবলম্বী। কিন্তু অভিশ্রুতি শাস্ত্রী নামটি হিন্দু ঘরানার। এ নিয়ে তৈরি হয় বিভ্রান্তি। অবশেষে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের ১১ দিন পর তার আসল পরিচয় জানা যায়। এরপর মরদেহ তার বাবা সবুজ শেখের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বৃষ্টি ছিলেন দ্য রিপোর্ট লাইভ নামে একটি অনলাইন পোর্টালের রিপোর্টার। তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের বনগ্রামে। জন্ম নিবন্ধন, কলেজের সনদ এবং জাতীয় পরিচয়পত্রে তার নাম বৃষ্টি খাতুনই।