নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর বলেছেন, “ইভিএম পদ্ধতিতে নির্বাচনের ক্ষেত্রে যেটা বলা হয়, একটা শঙ্কা থাকে। তবে এ পদ্ধতিতে নির্বাচন হলো ইনজেকশন বা টিকার মতো। টিকা দেওয়ার আগে অনেকে ভয় পায়, কিন্তু টিকা দেওয়ার পরে টেরও পান না কখন টিকা দেওয়া হয়েছে। ইভিএম অনেকটাই ওই রকম।”
শনিবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় অডিটোরিয়ামে হরিরামপুর ও সিংগাইর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শুরু হওয়ার আগে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি বলেন, “ইভিএম একমাত্র পদ্ধতি যার মাধ্যমে সুষ্ঠু ভোট করা সম্ভব। একজনের ভোট আরেকজন নিতে পারে না, ভোট ছিনতাই, প্রক্সি ভোট এবং জালভোট দেওয়া কোনো সুযোগ নেই।”
তিনি বলেন, ‘যদি কেউ মনে করে থাকেন, আমার আত্মীয় আছে, এমপি-মন্ত্রী আমাকে পছন্দ করেন অথবা ইভিএমে আমার লোক আছে। তার সঙ্গে যদি আমি সম্পর্ক রাখি দেখা করি, উনি আমার ভোট পরিবর্তন করে দিতে পারবেন। এটার কোনো সুযোগ নাই। ইভিএম এমন একটা যন্ত্র, যে কিনা প্রধানমন্ত্রীকেও চেনে না।”
এমপি-মন্ত্রীর নিকটাত্মীয়রা উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না, আওয়ামী লীগের এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, “এমপি-মন্ত্রীদের নিকটাত্মীয়রা নির্বাচন করতে পারবেন না এটা তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। একটা দলের দলীয় সিদ্ধান্ত থাকতেই পারে। কিন্তু আমাদের নির্বাচনী আইনে যে কেউ নির্বাচন করতে পারবেন, যদি সে কি-না সে এলাকার ভোটার হন।”
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার, জেলা নির্বাচন অফিসার আমিনুর রহমান মিঞাসহ দুই উপজেলার প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।