মুন্সিগঞ্জে গোয়ালঘরের মাটি খুঁড়ে পাওয়া গেল ৪৮ ভরি স্বর্ণ

মানিকগঞ্জের সিংগাইর থেকে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে লুটের ১১ দিনের মাথায় ৪৮ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার কাছ থেকে লুট করা হয়েছিল মোট ৯৫ ভরি স্বর্ণ।

বুধবার (১২ জুন) মুন্সিগঞ্জ থেকে স্বর্ণগুলো উদ্ধার করা হয়।

মুন্সিগঞ্জের কুচিয়ামোড়া টোলপ্লাজা থেকে সিদ্দিক শেখ (৫০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাহ আলম মিয়াকে (৪৮) গ্রেপ্তার করা হয়।

শাহ আলম জানায়, লুট করা স্বর্ণের ৪৮ ভরি তার বাড়ির গোয়ালঘরে পুঁতে রাখা আছে। বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।

১ জুন সকালে সিংগাইরের জামশা ইউনিয়নের আমতলা গ্রাম থেকে নবাবগঞ্জের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও তার তিন সঙ্গীকে ৯৫ ভরি স্বর্ণসহ জোর করে র‌্যাবের স্টিকারযুক্ত মাইক্রোবাসে তুলে নেয় ছিনতাইকারীরা। উপজেলার গোলাইডাঙ্গা এলাকায় গাড়ির গতিরোধ করে ডাকাতদলের পাঁচ সদস্যকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে হস্তান্তর করে স্থানীয়রা।

ওইদিন রাতেই এ ঘটনায় বাদী হয়ে মামলা করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সুমন হালদার।

১ জুন মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থেকে ছিনতাই হয় এক ব্যবসায়ীর ৯৫ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই করা হয়। এর মধ্যে ৪৮ ভরি স্বর্ণ ১১ জুন মুন্সিগঞ্জ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ/ঢাকা ট্রিবিউন

সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়ারুল ইসলাম জানান, মামলায় সম্রাট, মিরাজুল, আমিজ এবং শামীমুজ্জামান নামে চারজনকে আগেই গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এদের মধ্যে শামীমুজ্জামান সেনাসদস্য। তিনি র‌্যাব-১-এ গাজীপুর ট্রেনিং সেন্টারে ডিএডি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার নেতৃত্বেই এই স্বর্ণ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে সম্রাট মৃধা, আমিজ উদ্দিন ও মিরাজুল শেখ। মূল পরিকল্পনাকারী সেনাসদস্য হওয়ায় তাকে বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।