শহরগুলোতে শব্দদূষণ বন্ধে যে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে

শব্দদূষণ বন্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ ও শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, “শব্দদূষণের প্রথম উৎস হচ্ছে হর্ন। আমরা নিজেদের গাড়ি থেকেই যদি হর্ন না বাজানোর অভ্যাস করতে পারি, তাহলে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। সামনের ডিসেম্বর মাসের শেষ থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকার ১০টি রাস্তায় হর্ন বাজানো বন্ধে সচেতনতা তৈরি করা হবে। তারপর আমরা আইন প্রয়োগের কাজ শুরু করব। অন্তত শহরগুলোতে শব্দদূষণ বন্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ ও শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

শনিবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ অডিটরিয়ামে তৃতীয় ন্যাশনাল ন্যাচার ফেস্টিভ্যাল ২০২৪-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান তিনি।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে উপদেষ্টা বলেন, “গত ৫০ বছরের মধ্যে এ বছর সবচেয়ে বেশি গরম পড়েছে। আবার দক্ষিণাঞ্চলে এ রকম বন্যাও মানুষ আগে কখনো দেখেনি। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগের একটি বড় কারণ হচ্ছে, পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের কারণ হচ্ছে জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো।”

বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি রয়েছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, “যা আমরা অন্যান্য জ্বালানির তুলনায় অনেক কম টাকায় পেতে পারি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, প্রতিটি ভবনের ওপরই যে সোলার প্যানেল রয়েছে, সেটি কাজ করে না। যদি ওই সোলার প্যানেলগুলো কাজ করত, তাহলে ২০ মিনিট কিংবা কয়েক ঘণ্টার লোডশেডিংয়ে কাউকে চিন্তিত হতে হতো না। আর সরকারকেও উচ্চমূল্যে জ্বালানি কিনে এনে সরবরাহ করতে হতো না। সৌর ও বায়ুবিদ্যুতে বাংলাদেশের বড় সম্ভাবনা রয়েছে।”