কুয়েট শিক্ষার্থীদের ফের অবস্থান কর্মসূচি

কোনোভাবেই সচল হচ্ছে না খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)। নিজ নিজ দাবিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অনড় থাকায় বিপাকে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (১৫ মে) পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নে রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সংঘর্ষের ঘটনায় ৩৭ শিক্ষার্থীকে শোকজ করার প্রতিবাদ, একাডেমিক কার্যক্রম শুরু, নতুন তদন্ত কমিটি গঠন এবং কুয়েট ক্যাম্পাসে রাজনীতি বন্ধ করার দাবি তাদের।

অপরদিকে, শিক্ষকদের লাঞ্চিত হওয়ার প্রতিবাদে ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধের কুয়েট শিক্ষক সমিতির দেওয়া সাত দিনের আল্টিমেটাম শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. সাহিদুল ইসলাম বলেন, “আমার উপাচার্যের সঙ্গে ইতিমধ্যে দেখা করেছি। উপচার্য আমাদের দাবির বিষয়ে ইতিবাচক।”

তিনি জানান, দাবি আদায় হলে রবিবার ক্লাসে ফিরবেন শিক্ষকরা। আর দাবী আদায় না হলে অসহযোগ আন্দোলনে যাবেন তারা।

তবে শিক্ষার্থীরা তাদের দাবিতে অনড়। বৃহস্পতিবার দুপুরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন বিশ্ববিদ্যালয় নবনিযুক্ত অন্তর্বর্তীকালীন উপচার্য প্রফেসর ড. মো. হযরত আলী। তিনি শিক্ষার্থীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।

উপচার্য বলেন, “সবাই নিজ নিজ দাবিতে অনড় এ কারণে কিছুটা সময় লাগছে। আশা করছি খুব দ্রুতই সব সমস্যার সমাধান হবে।”

উল্লেখ, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েট ক্যাম্পাসে রাজনীতি বন্ধের দাবি নিয়ে শিক্ষার্থীদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত ২৫ এপ্রিল কুয়েট উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাছুদ ও উপউপাচার্য প্রফেসর ড. শেখ শরিফুল আলমকে অব্যাহতি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালায়। এরপর ১ মে প্রফেসর ড. মো. হযরত আলীকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ৪ মে থেকে একাডেমিক কার্যক্রম চালুর কথা থাকলেও শিক্ষকদের দাবির মুখে তা হয়নি।