এইচএসসির ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০,০৮৪ জন পরীক্ষার্থী। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২.১২%। 

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনের পরপরই অনলাইনে ও নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে ফল প্রকাশ করা হয়।

গত দুই বছরের চেয়ে এবার পাসের হার কমেছে। ২০২৫ সালে প্রথম প্রকাশিত ফলে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯,০৯৭ জন। পরে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের পর আরও ৩,০৭৯ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পান। এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন। 

পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, গত ২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের কথা ছিল। পরে তারিখ পরিবর্তন করে ৩১ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়।

আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল অনলাইনে সংগ্রহ করতে হবে। এজন্য নির্ধারিত ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে গিয়ে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন নম্বর ব্যবহার করে ফলাফল ডাউনলোড করতে হবে।

পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর সমন্বিত ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল দেখতে পারবেন। পাশাপাশি নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করা যাবে।

মুঠোফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমেও ফল জানা যাবে। এ জন্য HSC লিখে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর ও পরীক্ষার সাল লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। যেমন: HSC DHA 123456 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠালে ফল জানা যাবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড বা পত্রিকা অফিস থেকে কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না।

উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আগামী ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদনের নিয়ম ও এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ২ জুলাই। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১২ লাখের বেশি। তবে পরীক্ষায় কিছুসংখ্যক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।