শরীরের ওজনের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে ফ্যাটি লিভারের। যাদের ওজন বেশি, তাদের এই রোগের ঝুঁকিও বেশি। লিভারের কোষে অতিরিক্ত চর্বি জমে গেলে ফ্যাটি লিভার হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ রোগকে বলা হয়, মেটাবলিক ডিসফাংশন অ্যাসোসিয়েটেড স্টিয়াটোটিক লিভার ডিজিজ বা এমএএসএলডি।
অনেকের ধারণা শুধু মোটা মানুষেরই কেবল এই রোগ হয়। কিন্তু এমএএসএলডি রোগাদেরও হতে পারে। তা জিনগত কারণে হতে পারে, খাওয়াদাওয়ার জন্য হতে পারে কিংবা ইনসুলিন প্রতিরোধের মতো সমস্যার কারণেও হতে পারে। কিন্তু ওজন কম, আপাতভাবে মেদ নেই, এই ভেবে নিশ্চিন্ত থাকা উচিত নয়।
ওজন কম থাকলেও হতে পারে ফ্যাটি লিভার, একে বলা হয় লিন ফ্যাটি লিভার। পুষ্টিবিদরা বলছেন, রোগা মানুষ ভাবেন তারা যা ইচ্ছে তা-ই খেতে পারেন। রোজ রোজ ভাজাভুজি বা জাংকফুড খেলে ফ্যাটি লিভার হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। জিনগত কারণেও রোগীদের ফ্যাটি লিভার হতে পারে। রোগা বলে অনেকেই শারীরচর্চা করেন না, সে কারণেও বেড়ে যেতে পারে ঝুঁকি। দীর্ঘদিন স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ খাওয়ার কারণেও এই রোগ হতে পারে। উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড বা কোলেস্টেরল থাকলে রোগা হলেও এই রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। তাই রোগা হলেও ৪০ বছরের পর প্রতি বছর অন্তত একবার লিভার ফাংশন টেস্ট করানো জরুরি।
কীভাবে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমানো যায়
পুষ্টিবিদদের মতে, নিয়ম করে হাঁটাহাঁটি আর শারীরচর্চা করতে হবে। তেল খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে। রান্নায় এক মাসে একজন ৫০০ মিলিলিটারের বেশি তেল খাবেন না। আর বাইরের খাবার যত কম খাবেন ততই ভালো।