শীতের ছুটিতে সাধ্যের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া ভ্রমণ

ইন্দোনেশিয়াকে এশিয়ার সাগর পাড়ের স্বর্গ নাম দেওয়া হলে মোটেই বাড়িয়ে বলা হবে না। নিদেনপক্ষে রাজা আমপাত রিজেন্সি, বালি, জাভা, সুমাত্রা ঘুরে বেড়ানোর সময় এমনটাই অনুভব করেন প্রতিটি পর্যটক। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে অনেক কাঠখড় পোড়ানোর পরেও ধরা ছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায় অভিজাত এই দর্শনীয় স্থানগুলো। তবে এই অবকাশ যাপনের সঙ্গে যে একদমই আপস করা যায় না তা কিন্তু নয়। জায়গা ভেদে প্রতিটি দেশেরই বিভিন্ন অঞ্চলে অর্থনৈতিক তারতম্য ঘটে। ইন্দোনেশিয়াও তার ব্যতিক্রম নয়। এমনকি জাকার্তার মতো ব্যয়বহুল শহরের কাছেই দারুণ কিছু জায়গা আছে হিসেবি পর্যটকদের জন্য। আজকের নিবন্ধে স্বল্প খরচে শীতের ছুটি কাটানোর মতো ইন্দোনেশিয়ার সেই অপূর্ব দ্বীপাঞ্চলগুলোকে একত্রিত করা হয়েছে।

গিলি দ্বীপপুঞ্জ

“গিলি ট্রাওয়াঞ্জান”, “গিলি মেনো” এবং “গিলি এয়ার” এই তিন দ্বীপ মিলে গিলি দ্বীপপুঞ্জ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ার লম্বকে। এই তিনটিই বিশ্বমানের ডাইভিং এবং স্নরকেলিংইয়ের জন্য বিখ্যাত। দ্বীপগুলোর যেকোনো স্থান থেকে পানিতে নেমেই উপভোগ করা যায় পানির নিচের মন্ত্রমুগ্ধকর জগত।

বাংলাদেশ থেকে লম্বক পর্যন্ত আকাশপথে যাত্রায় মাথাপিছু সর্বনিম্ন বাজেট রাখতে হবে ৩৩৪ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৬,৬৮৯ টাকা (১ মার্কিন ডলার= ১০৯.৮৫ বাংলাদেশি টাকা)। লম্বকে থাকার খরচ জনপ্রতি সাধারণত ১,৪৬,৭৫৫ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া বা ১,০২৭ টাকা (১ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া = ০.০০৭ বাংলাদেশি টাকা)। একদিনের খাবারের জন্য বাজেট রাখতে হবে ৪৯,৯৯৩ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া যা ৩৪৯ টাকার সমতুল্য।

গিলি দ্বীপপুঞ্জ/পিক্সাবে

উবুদ

ইন্দোনেশিয়াতে বিশ্ব পরিব্রাজকদের জনপ্রিয় গন্তব্য বালিতে অবস্থিত এই উবুদ। শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত রয়্যাল প্যালেসে দর্শনার্থীরা বিনামূল্যেই পরিদর্শন করতে পারেন। রাস্তার ঠিক নিচেই রয়েছে মাঙ্কি ফরেস্ট। এছাড়া রয়েছে গোয়া গাজাহর উদ্দেশ্যে যাত্রা করা বেমো রাইড। বেদুলু গ্রামের ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হাতির গুহার মূল আকর্ষণ এর জটিল খোদাইগুলো।

উবুদে থাকার খরচ সাধারণত ২১,৪২,১৫১ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া যা ১৪,৯৯৩ টাকার সমান। সাশ্রয়ী হোটেলগুলোর মধ্যে “আগুং ত্রিস্না বাংলো” এবং “ইনাং ভিলা” সেরা পছন্দ হতে পারে। উবুদে খাওয়া-দাওয়ার জন্য দৈনিক চার্জ প্রায় ১,৮৯,৯৫৯ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া। ঢাকা থেকে উবুদের নিকটতম নুগুরা রাই বিমানবন্দর পর্যন্ত যেতে সবচেয়ে কম বিমান ভাড়া ২৫২ মার্কিন ডলার।

উবুদ/সংগৃহীত

বালি

“দেবতাদের দ্বীপ” নামে পরিচিত বালি এখানে আসা প্রতিটি আগন্তুককে এমনভাবে আকর্ষণ করে, যার টানে যেকোনো শহুরে প্রাণেরও দ্বীপবাসী হওয়ার সাধ জাগে। কোথাও দিগন্তরেখা পর্যন্ত চলে গেছে প্রাচীন ধানক্ষেতে বিস্তৃত জাটিলুউইহ। কোথাও কুটা, সেমিনিয়াক, ক্যাংগু এবং বালাঙ্গন সৈকতগুলো যেন প্রতিযোগিতায় নেমেছে সমুদ্রকে স্পর্শ করার। এগুলোর প্রতিটিতেই হোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলো সমুদ্র সৈকত উৎসাহীদের কাছে আকর্ষণীয়। কম দাম এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশের জন্য ক্যাঙ্গুতে ভ্রমণকারীদের হৈচৈটা বেশি দেখা যায়।

বালিতে জনপ্রতি আবাসনের খরচ ৬,৬৯,৮২৩ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া (৪,৬৮৮ টাকা)। পাম গার্ডেন বালি এবং বালাঙ্গন গার্ডেন বাংলো বাজেট-বান্ধব হোটেলগুলোর মধ্যে এখানকার সেরা। বালিতে দৈনিক খাদ্য খরচ বাবদ ৩,৩০,৬২৯ ইন্দোনেশীয় রুপিয়ার (২,৩১৪ টাকা) বাজেট রাখতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে বালির সৈকতগুলোর কাছাকাছি নুগুরা রাই বিমানবন্দরে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে সাশ্রয়ী বিমান টিকেট মূল্য ২৫২ মার্কিন ডলার বা ২৭,৬৮২ টাকা।

বালি/সংগৃহীত

নুসা পেনিদা

বালির দক্ষিণ-পূর্ব ইন্দোনেশিয়ান দ্বীপের কাছে অবস্থিত নুসা পেনিডা কেলিংকিং সৈকত, অ্যাঞ্জেল্স বিল্লাবং, মান্তা পয়েন্ট এবং নুসা লেম্বনগানের জন্য বিখ্যাত। এখানে খাবার এবং পানির খরচ বাবদ মাথাপিছু বাজেট ৬০,০০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া বা ৪১৯ টাকা রাখা জরুরি। রুমাহ পোহন এবং ক্রিস্টাল বে বাংলো এখানকার কম খরচের হোটেলগুলোর মধ্যে বেশ ভালো মানের। আবাসনের জন্য খরচ হতে পারে ২,১৯,৭১৭ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া (১,৫৩৭ টাকা)।

নুসা পেনিদা বালি থেকে এক ঘণ্টার দূরত্বে, যা সানুর সৈকত থেকে ফেরি বা একটি দিনের ক্রুজে করে পাড়ি দেওয়া যায়। ঢাকা থেকে বালি বিমানবন্দর পর্যন্ত আসতে বিমান ভাড়া ২৫৩ মার্কিন ডলার থেকে শুরু হয়, যা ২৭,৭৯২ টাকার সমতুল্য।

নুসা পেনিদা/সংগৃহীত

মালুক সৈকত

দক্ষিণ সুম্বাওয়া দ্বীপের পশ্চিম উপকূল বরাবর ইন্দোনেশিয়ার নজরকাড়া সৈকতগুলোর মধ্যে একটি এই মালুক। সূর্যস্নান ও সার্ফিং-ই মুলত এখানকার প্রধান আকর্ষণ। এছাড়াও অন্যান্য পর্যটন স্থানের মধ্যে রয়েছে মানতুন হিল, পিঙ্ক সৈকত এবং তানজুং রিঙ্গিত। আশেপাশের জায়গাগুলোর মধ্যে মালু কচ্ছপ সংরক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা দেয়।

সুম্বাওয়া বেসারে আবাসনের খরচ গড়পড়তায় ৬২,৫০০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া (৪৩৭.৪৭ টাকা)। স্বল্প বাজেটের থাকার ক্ষেত্রে হোটেলি জায়ান্নি এবং হোটেল ব্রাভোতে থাকা যেতে পারে। সুম্বাওয়া বেসারে তিন বেলা খাওয়া-দাওয়ার জন্য খরচ হতে পারে ১,৬,৭১৬ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া (৭৪৬ টাকা)।

ঢাকা থেকে মালুক যাত্রীদেরকে বালি হয়ে সুলতান মুহাম্মদ কাহারউদ্দিন-৩ বিমানবন্দরে নামতে হবে। এই যাত্রায় সর্বমোট গুনতে হবে ৪৮৫ মার্কিন ডলার বা ৫৩,২৭৭ টাকা।

মালুক সৈকত/সংগৃহীত

যোগজাকার্তা

প্রাদেশিক শহরগুলোর একটি এই যোগজাকার্তা সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক স্থাপনায় সমৃদ্ধ। প্রম্বানান টেম্পল কমপ্লেক্স, জাভার বৃহত্তম ব্যক্তিগত জাদুঘর, উলেন সেন্টালু এখানকার ঐতিহ্য সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে। দেশ সেরা শপিং স্ট্রিট পাসার ম্যালিওবোরোতে রয়েছে বাটিক পোশাক থেকে শুরু করে স্যুভেনির ও হস্তনির্মিত কারুশিল্পের সম্ভার।

যোগজাকার্তায় রাতে থাকতে হলে বাজেট রাখতে হবে ৫,৮৯,১১৫ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া, যা ৪,১২৩ টাকার সমতুল্য। এর জন্য উইসমা আরি’স এবং ইক্লিপ্স হোটেল যোগজাকার্তা সেরা পছন্দ হতে পারে। যোগজাকার্তার খাবারের দাম সাধারণত ১,৮৭,০৮১ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া বা ১,৩০৯ টাকার হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ থেকে যোগজাকার্তার সবচেয়ে কাছের বিমানবন্দর কুলনপ্রোগো পর্যন্ত ভ্রমণ খরচ ২৭০ মার্কিন ডলার বা ২৯,৬৫৯ টাকা থেকে শুরু হয়।

যোগজাকার্তা/সংগৃহীত

 

মালাং

ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভা প্রদেশের মালাং প্রাকৃতিক বিস্ময়ে ঘেরা একটি শহর। মালাং ভ্রমণ মানেই বালেকামবাং সৈকত, এনগ্লিয়েপ, সেন্দাং বিরু সৈকত এবং পুরওদাদি বোটানিক্যাল গার্ডেনের নয়নাভিরাম বাউং জলপ্রপাত ঘুরে দেখা।

মালং-এ হোটেলগুলো সাধারণত চার্জ নেয় মাথাপিছু ৭,২৬,৭৭১ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া বা ৫,০৮৭ টাকার মত। খুব কম দামে রাত্রি যাপনের জন্য মালং সিটি বুলেভার্ড হোমস্টে এবং লাভন্ডার গেস্টহাউসে থাকা যেতে পারে। মালাং-এর খাবারের দাম দিনপ্রতি গড়ে ২,৮১,৬৪৯ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া, যা ১,৯৭১ টাকার সমতুল্য।

বাংলাদেশ থেকে মালাং যেতে জাকার্তা হয়ে যেতে হয়, আর এই ভ্রমণে খরচ লাগতে পারে ন্যূনতম ৪৩১ মার্কিন ডলার (৪৭,০০০ টাকা)।

মালাং/সংগৃহীত

লম্বক

অধিকাংশ ক্ষেত্রে গিলি দ্বীপপুঞ্জের জন্য লম্বকের খ্যাতি মনে করা হলেও এর মুল আকর্ষণ সেনগিগি সমুদ্র সৈকত। ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম টেঙ্গারা প্রদেশের এই দ্বীপকে অসামান্য মাধুর্য্য দিয়েছে ময়ূরা পার্ক এবং নর্মাদা পার্ক। এমনকি ইন্দোনেশিয়ার দ্বিতীয়-সর্বোচ্চ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি মাউন্ট রিনজানির দুর্গম পথ হাতছানি দিয়ে ডাকে পাহাড় আরোহীদের।

লম্বকে রাতে থাকতে প্রতি এক জনের জন্য ৪,৬৪,৯৫১ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া বা ৩,২৫৪ টাকা বাজেট রাখা জরুরি। এই বাজেটে সামঞ্জস্য বিধান করতে পারে সানউড হোটেল আরিয়ানজ মাতারাম এবং মেইস্যা কটেজ হোটেল দুটি। লম্বক-এ প্রতিদিনের খাবার খরচ গড়ে ১,৯৫,৫৩৩ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া বা ১,৩৬৮ মত হতে পারে।

বাংলাদেশ থেকে লম্বকগামী যাত্রীদের বিমানের টিকিট মূল্য শুরু হয় ২২৫ মার্কিন ডলার বা ২৪,৭১৬ টাকা থেকে।

লম্বক/সংগৃহীত

বান্দুং

বিশ্ব নন্দিত জাভা দ্বীপের এই বান্দুং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭৬৮ মিটার উপরে অবস্থিত। ১,০৫০ মিটার উচ্চতায় থাকা শহরটির চূড়া দৃষ্টি গোচর হয় সর্বনিম্ন ৬৭৫ মিটার সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে। এছাড়াও বান্দুংকে আলাদা বিশেষত্ব দিয়েছে টিমাং সৈকত, মেরাপি আগ্নেয়গিরি এবং মাঙ্গুনান ফল বাগান।

বান্দুংয়ে গড় রাতে খরচ মাথাপিছু ৩,৪২,৮৬৬ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া, যা ২,৩৯৯ টাকার সমান। এই বাজেটের মধ্যেই থাকা যেতে পারে অটেনভিল বুটিক হোটেল এবং ডি’বেস্ট হোটেল ব্যান্ডুং-এর মতো হোটেলগুলোতে। বান্দুংয়ে খাওয়া-দাওয়ার চার্জ দৈনিক ২,২৮,৫৭৭ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া (১,৫৯৯ টাকা)।

বান্দুং ভ্রমণের জন্য ঢাকা থেকে প্রথমে জাকার্তা যেতে হবে। এই পর্যন্ত খরচ ন্যূনতম ২৬৫ মার্কিন ডলার বা ২৯,১১০ টাকা। এরপর থেকে বান্দুং বাসে মাত্র দুই ঘণ্টার পথ।

বান্দুং/সংগৃহীত

উত্তর সুলাওয়েসি

ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি প্রদেশের মিনাহাসা উপদ্বীপে উত্তরাঞ্চলটি প্রাকৃতিক বিস্ময়ের আশ্রয়স্থল। বুনাকেন ন্যাশনাল পার্ক, টাংকোকো এবং লেক লিনো উত্তর সুলাওয়েসির স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের ধারক।

মাথাপিছু ১,৩৪,৯৩৪ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া বা ৯৪৪ টাকা বাজেট প্রস্তুত রাখতে হবে এখানকার নিত্য-নৈমিত্তিক খাবারের জন্য। দুইজনের থাকার জন্য দিন প্রতি খরচ হতে পারে ৪,৫৫,০১০ ইন্দোনেশীয় রুপিয়া বা ৩,১৮৪ টাকা। বোটানিকা নেচার রিসোর্ট এবং বুটিক ডাইভ লজের কোকোটিনোস লেম্বেহ সাশ্রয়ী হোটেলগুলোর মধ্যে বেশ গুনগত মানসম্পন্ন।

ঢাকা থেকে সিঙ্গাপুর হয়ে উত্তর সুলাওয়েসি যাওয়া যায়। এই ভ্রমণে খরচ পড়তে পারে সর্বনিম্ন ৩৬৪ মার্কিন ডলার, যা ৩৯,৯৮৫ টাকার সমান।

উত্তর সুলাওয়েসি/সংগৃহীত

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ইন্দোনেশিয়ান ট্যুরিস্ট ভিসা

পর্যটন ভিসা প্রক্রিয়াকরণের প্রথম শর্ত গন্তব্যস্থলে পৌঁছার পর থেকে পাসপোর্টটি অবশ্যই ন্যূনতম ছয় মাস পর্যন্ত বৈধ হতে হবে। আবেদনকারীকে অবশ্যই তাদের আবেদন জমা দেওয়ার জন্য দূতাবাসের কনস্যুলার সার্ভিস কাউন্টারে যেতে হবে। ইন্দোনেশিয়ান ভিসার ক্ষেত্রে মনে রাখা আবশ্যক যে, এখানে এখনও কোভিড-১৯ টিকার সম্পূর্ণ ডোজ নেওয়ার প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলকভাবে প্রদর্শন করতে হয়।

প্রতীকী ছবি/পেক্সেলস

আরও যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন

- সম্পূর্ণ পূরণকৃত আবেদনপত্র।
- সর্বোচ্চ বিগত ছয় মাসের মধ্যে তোলা একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
- বাংলাদেশে রিটার্ন টিকিট।
- ভিসা ফি পেমেন্ট স্লিপ (বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সিঙ্গেল-এন্ট্রি ইন্দোনেশিয়ান ট্যুরিস্ট ভিসা ফি ১০,৫০০ টাকা)।
- বিগত তিন মাস পর্যন্ত ন্যূনতম ২,০০০ মার্কিন ডলার বা ২,১৯,৭০০ টাকার তহবিলের প্রমাণপত্র।
- স্বাস্থ্যসম্পর্কিত প্রয়োজনীয় ব্যয়-ভার বহনকৃত ভ্রমণ বীমা বা যাবতীয় চিকিৎসা খরচ পরিশোধের সম্মতিপত্র।

শেষাংশ

ইন্দোনেশিয়ার এই ১০টি বাজেট-বান্ধব টুরিস্ট স্পটগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সাশ্রয়ী ভ্রমণ খরচের জায়গা লম্বক আর সর্বাধিক ব্যয়বহুল মালুক সৈকত। অন্যান্যগুলোর মধ্যে বালির সৈকত, গিলি দ্বীপপুঞ্জ এবং উবুদের মাঙ্কি ফরেস্ট প্রতিনিয়ত ভ্রমণকারীদের ভীড় থাকে। উত্তর সুলাওয়েসি এবং বান্দুং এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম পরিচিত। অন্যদিকে, জোকজাকার্তা আর নুসা পেনিদা অনেকটা নতুন হলেও খুব দ্রুত জায়গাগুলোতে আনাগোনা বাড়ছে পর্যটকদের।