ভ্রমণ পিপাসুদের মধ্যে কেন বাড়ছে ‘অফবিট’ জায়গাগুলোতে বেড়ানোর ঝোঁক?

ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে বেশ পছন্দের গন্তব্যগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পাহাড় ও সমুদ্র। এসব ভ্রমণ স্পটগুলো সবসময় আলোচিত থাকায় পর্যটকদের এ নিয়ে ঝোঁক বাড়তে থাকে। তবে আজকাল দেখা যাচ্ছে ভ্রমণ পিপাসুরা সাধারণ পর্যটন এলাকাগুলো বাদ দিয়ে “অফবিট” এলাকাগুলোতে বেশি ঝুঁকতেছে। অফবিট হলো এমন সব জায়গা, যেখানে মানুষের ভিড় কম হয়, যে জায়গাগুলো সম্পর্কে মানুষের ধারণা কম, সেখানকার জনজীবন, খাওয়া-দাওয়া সম্পর্কে তারা অবগত নয়।

কিন্তু কেন পর্যটকদের কাছে এই অফবিট জায়গাগুলোতে ভ্রমণের চাহিদা বাড়ছে তা জেনে নেওয়া যাক।

সৌন্দর্য

অফবিট পর্যটন এলাকাগুলোর বৈশিষ্ট্যই হলো সেখানে পর্যটকের যাতায়াত সাধারণত কম থাকবে। সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ইতিহাস, সংস্কৃতি সম্পর্কে অনেকেই অবগত নয়। সেখানকার জনজীবন, খাওয়া-দাওয়া সম্পর্কে জানা নেই। এই সব সৌন্দর্য অন্বেষণ করতে হলে কয়েক দিন কাটাতে হয় সেই জায়গায়।

ভিড় কম

যে জায়গার নাম খুব বেশি মানুষ জানে না, কিংবা পর্যটন মানচিত্রে যে জায়গার অস্তিত্ব নেই, খুব স্বাভাবিক সেখানে পর্যটকের আনাগোনাও কম থাকবে। অফবিট এলাকাগুলো সম্পর্ক সব মানুষ নাও জানতে পারে। তাই সেই জায়গাগুলো নিরিবিলিতে ঘুরে দেখা যায়। কোনও ভিড় থাকে না। শহুরে কোলাহল থেকে একদম বাইরে।

বাজেট সহায়ক 

যে জায়গা এখনও কমার্শিয়ালাইজ বা পর্যটন স্বীকৃত হয়নি, সেখানে জিনিসপত্রের দামও কম। সেখানে থাকা-খাওয়া তুলনামূলকভাবে সস্তা। অফবিট জায়গায় বেড়াতে গেলে খরচ কম হয়। এই কারণেই আজকাল অনেকেই অফবিট জায়গাগুলোকেই বেছে নিচ্ছে ছুটি কাটানোর জন্য।

অ্যাডভেঞ্চার

অনেক সময় এমনও হয় কোনো অফবিট জায়গায় বেড়াতে গিয়ে কোনো অ্যাডভেঞ্চারের সন্ধান পেলেন। ছোট্ট কোনো হাইকিং, কিংবা সূর্যাস্ত দেখার সেরা জায়গা, অথবা কোনো ভূতুরে বাড়িতে রাত্রী যাপন। ধরুন কোনো লেকের ধারে ক্যাম্পিং করার সুযোগ পেলেন কিংবা কোনো খোলা মাঠে শুয়ে স্টার গেজিংয়ের সুযোগ- এমন নানা অ্যাডভেঞ্চারের মুখোমুখি হতে পারেন। এই কারণেও কমবয়সিরা কোনো পরিকল্পিত প্ল্যান ছাড়াই বেরিয়ে পড়ে ঘুরতে। এ ভাবেই খোঁজ পাওয়া যায় কোনও অফবিট জায়গার। আর এমন জায়গায় দিন কাটালে ভ্রমণকারীর ঝুলিতে ভ্রমণের গল্পও জমতে থাকে অনেক।