যে লক্ষণগুলো দেখে বুঝবেন আপনি ‘স্যান্ডউইচ জেনারেশনের’ মানুষ

জেন জি, মিলেনিয়াল- প্রায়ই এরা চর্চায় থাকে। কিন্তু জীবনে চাপ বেশি স্যান্ডউইচ জেনারেশনের মানুষদের। এরা মিলেনিয়াল-জেন জিও হতে পারে আবার জেন এক্সও হতে পারে। এমনকী “মিড লাইফ ক্রাইসিসে” ভোগা কোনো ব্যক্তিও হতে পারে। বয়স ৩৫ থেকে ৫৪, মধ্যবয়সি প্রাপ্তবয়স্কদের বলা হয় স্যান্ডউইচ জেনারেশন। এদের বুড়ো বাবা-মায়ের দেখভালোও করতে হয়, আবার সন্তানও মানুষ করতে হয়। সংসারের সব দায়দায়িত্ব এখন এদের কাঁধে। এমন জীবনের জন্যই জেনারেশনের নাম স্যান্ডউইচ।

প্রাপ্তবয়স্ক মধ্যবয়সিদের স্যান্ডউইচ জেনারেশন বলা হয়। তারা বাবা-মায়ের খেয়াল রাখেন। আবার মা-বাবার ভূমিকাও পালন করেন। অর্থাৎ সন্তানকে মানুষ করে তোলার জন্য যা-যা দরকার, সেটাই করেন। জীবনের এই পর্যায়ে একাধিক ভূমিকা, দায়িত্ব পালন করতে হয় তাদের। আর এর মধ্যেই নানা সমস্যার মুখোমুখি হয় স্যান্ডউইচ জেনারেশন।

অর্থনৈতিক পরিস্থিতি

সন্তানের পড়াশোনার খরচ, তাকে বড় করে তোলার খরচ রয়েছে। পাশাপাশি বাবা-মায়ের মেডিকেলের খরচও তাদের মেটাতে হচ্ছে। এছাড়া সংসার চালানোর আলাদা খরচ রয়েছে। সবমিলিয়ে হিমমিশ খেয়ে যেতে হয় স্যান্ডউইচ জেনারেশনকে। তা ছাড়া, খরচের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়ের কথাও ভাবতে হয়।

মানসিক চাপ

বাড়িতে বয়স্ক ও অসুস্থ বাবা-মা থাকলে, মাথার ভেতর সারাক্ষণ চিন্তা ঘুরপাক খায়। এই বুঝি কোনো অঘটন না ঘটে যায়। তাছাড়া বাচ্চা ঠিকমতো মানুষ হচ্ছে কি না, সে দিকেও নজর দিতে হবে। এরপর কাজের জায়গায় হাজার একটা সমস্যা লেগেই থাকে। সবমিলিয়ে মানসিক চাপ বাড়তে থাকে।

সময়ের অভাব

স্যান্ডউইচ জেনারেশনের মানুষ হলে নিজের জন্য সময় একদম নেই। নিজের শখ পূরণের পিছনে একদম সময় দেওয়া যায় না। তার ওপর অফিস, সংসার সবকিছু সামলানোর সময় হয় না। দায়িত্ব পালনের জন্য সারাক্ষণ দৌড়াতে হয়।

নিজের যত্ন

এই বয়সে নিজের শখ পূরণের কথা খুব কম মানুষ ভাবেন। দায়িত্বের পাশাপাশি সময়ের অভাবও রয়েছে। তার মধ্যে নিজের যত্ন নেওয়াও হয় না। আজকাল ৪০-এর দোরগোড়ায় পৌঁছানোর আগেই ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, কোলেস্টেরলের মতো শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। লাইফস্টাইলে নজর না দেওয়ার জন্য, নিজের খেয়াল না রাখার জন্যই এগুলো হচ্ছে। আর এই সব সমস্যা এই স্যান্ডউইচ জেনারেশনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।