রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে রাতভর ভয়াবহ পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইউক্রেনীয় ড্রোন কৃষ্ণসাগরীয় বন্দরে রুশ সামরিক স্থাপনায় আঘাত হেনেছে, অন্যদিকে রাশিয়ার পক্ষ থেকেও রাজধানী কিয়েভসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে হামলা চালানো হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) আলজাজিরা ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার (জিইউআর) বরাতে এসব তথ্য জানায়।
ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা দাবি করেছে, অধিকৃত ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপল উপসাগরে রাশিয়ার দুটি ল্যান্ডিং শিপ (যুদ্ধজাহাজ) এবং একটি রাডার স্টেশনে তারা সফল হামলা চালিয়েছে।
গোয়েন্দা সংস্থাটির মতে, ধ্বংস হওয়া এই জাহাজ দুটির বাজারমূল্য প্রায় ১৫ কোটি মার্কিন ডলার। হামলায় রাডার সরঞ্জামগুলোরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ইউক্রেনের ইউরোপীয় অংশীদাররা এর আগে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে রাশিয়ার তেল রপ্তানি খাতের ওপর হামলা কমিয়ে আনার অনুরোধ করেছিল। তবে ইউক্রেনীয় বাহিনীর এই অব্যাহত হামলা থেকে এটি স্পষ্ট যে, পশ্চিমা অনুরোধের চেয়ে মাঠপর্যায়ের কৌশলগত জয়কেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে কিয়েভ।
এদিকে, রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা বাড়ানোর বদলে যুক্তরাষ্ট্র সেই নিষেধাজ্ঞার ছাড়ের মেয়াদ ১৬ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। জেলেনস্কি রাশিয়ার তেলের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের অপেক্ষায় থাকলেও, বর্তমান শিথিলতার সুযোগে ইউক্রেন সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে রাশিয়ার তেল রপ্তানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করছে।