যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ড: টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের কাছে মিলেছে ‘ধ্বংসস্তূপ’

আটলান্টিক মহাসাগরে নিখোঁজ হওয়া সাবমেরিন “টাইটান”-এর খোঁজে আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে নামা রোবটযান টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষের কাছে কিছু ধ্বংসস্তূপ সনাক্ত করেছে। ঘটনাস্থলে থাকা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ইউনিফাইড কমান্ড) বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ডের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (বিবিসি)।

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় (২০:০০ বিএসটি) বোস্টনে ইউএস কোস্ট গার্ড ঘাঁটিতে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ড জানিয়েছে, পর্যটকবাহী সাবমেরিন “টাইটান” ডুবে যাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের মাথায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সাবমেরিনটিতে মোট পাঁচজন আরোহী আছেন। বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে ডুবোযানটিতে সংরক্ষিত অক্সিজেন শেষ হয়ে যাওয়ার কথা।


টাইটানের খুঁজে বৃহস্পতিবার সকালে রিমোটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় এমন একটি রোবটযান আটলান্টিকের তলদেশে পাঠানো হয়। ওই রোবটযানটি কানাডার জাহাজ “হরিজন আর্কটিক” থেকে পরিচালনা করা হচ্ছে।

কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড প্রদেশের সেন্ট জন শহর থেকে টাইটানের যাত্রা শুরু হয়। আটলান্টিকের তলদেশে যেখানে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে, সেখান থেকে দূরত্ব ৬০০ কিলোমিটার। টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ থেকে ঘুরিয়ে আনতে সাবমেরিনটির সময় লাগতো প্রায় আট ঘণ্টা।

১৯১২ সালে তৎকালীন বিশ্বের বৃহত্তম যাত্রীবাহী এই জাহাজ সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে প্রথম সমুদ্রযাত্রায় বিশাল বরফখণ্ডের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ডুবে যায়। জাহাজটিতে ২,২০০ জন যাত্রী ও ক্রু ছিলেন। ভয়াবহ দুর্ঘটনায় তাদের মধ্যে ১,৫০০ জনেরও বেশি মারা যান।