ব্রিটিশ রাজপরিবারের অন্যতম আলোচিত দুই সাবেক সদস্য প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল। রাজপরিবারের খেতাব হারিয়েছেন আগেই। এবার ছাড়তে হচ্ছে প্রাসাদও।
২০২০ সালে রাজকীয় জীবন ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় পাড়ি জমান এই দম্পতি। এরপর থেকেই তাদের কোনো অর্থ দেয় না রাজপরিবার। ব্যবসার মাধ্যমে আয় করেন তারা। তা দিয়েই করেন জীবন নির্বাহ।
এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিয়ের সময় হ্যারি ও মেগানকে দেওয়া প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের উপহার ‘ফ্রগমোর কটেজ' নামের ব্রিটিশ রাজপরিবারের উইন্ডসর প্রাসাদের বাড়ি ছাড়তে বলা হয়েছে তাদের। এর আগেই তারা রাজ পরিবারের অন্য সুবিধাও হারান।
বর্তমানে তারা সাসেক্সরয়েল, ইনস্টাগ্রাম, টিভি অনুষ্ঠান, পডকাস্ট ও বই থেকে অর্থ আয় করেন।
হ্যারি ও মেগানের মিডিয়া কোম্পানি দ্য সাসেক্স ও আর্চওয়েল প্রোডাকশন নেটফ্লিক্সের জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান তৈরি করে। সেখান থেকে তারা মিলিয়ন ডলার আয় করেন।
এরমধ্যে হ্যারি ও মেগান ডকুমেন্টারি সিরিজ রয়েছে। সিরিজে তারা রাজপরিবারের জীবন সম্পর্কে কথা বলেছেন। আর্চওয়েল স্পটিফাইয়ের জন্য পডকাস্টও তৈরি করে। এ থেকেও আয় হয় তাদের।
এ বছরের ১০ জানুয়ারি হ্যারির আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ স্পেয়ার থেকে ১৫ লাখ ডলার ও ৩ লাখ পাউন্ড পেয়েছিলেন তিনি। যদিও সেটি দাতব্য সংস্থা সেন্টেবেল ও ওয়েলচাইল্ডকে দান করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রকাশক। বইটি বিক্রিতে রেকর্ড গড়ে।
বইয়ে রাজপরিবারে নিজের বঞ্চনার কথাও তুলে ধরেছেন হ্যারি।
২০২১ সালের মার্চে হ্যারি ক্যালিফোর্নিয়ায় বেটারআপ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে চিফ ইমপ্যাক্ট অফিসার হিসেবে নিয়োগ পান। এ থেকেও আয় হয় তার।
১৯৯৭ সালে প্রিন্স উইলিয়াম ও হ্যারির মা প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু হয়। এরপর মায়ের ১ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড মূল্যের সম্পদের সিংহভাগ পেয়েছিলেন।