বাংলাদেশে ফিরতে আরব আমিরাত ছাড়ল এমভি আবদুল্লাহ

বাংলাদেশে ফিরতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দর ত্যাগ করেছে এমভি আবদুল্লাহ। সোমবার (২৯ এপ্রিল) স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে ২৩ জন বাংলাদেশি নাবিকসহ আরব আমিরাতের মিনা সাকার বন্দর থেকে জাহাজটি চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

জাহাজের নাবিকরা জানান, বন্দর থেকে প্রায় ৫৬ হাজার টন চুনাপাথর বোঝাই করা হয়।

কেএসআরএম গ্রুপের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম জানান, চট্টগ্রামে পৌঁছাতে জাহাজটির দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

৩৩ দিন সোমালি জলদস্যুদের হাতে জিম্মি থাকার পর গত ১৪ এপ্রিল মুক্তি পায় কয়লাবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ। এরপর ২৩ নাবিকসহ ২১ এপ্রিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হামরিয়া বন্দরে নোঙর করে এমভি আবদুল্লাহ। 

সেখানে কয়লা খালাসের পর শনিবার চুনাপাথরের একটি কার্গো বোঝাই করতে মিনা সাকার বন্দরে যায় জাহাজটি।

মোজাম্বিকের মাপুতো বন্দর থেকে ৫৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হামরিয়া বন্দরে যাওয়ার সময় গত ১২ মার্চ জাহাজটি সোমালি জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হয় জাহাজটি।

এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটির মালিক কেএসআরএম গ্রুপের এসআর শিপিং।

এসআর শিপিং সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিকের মাপুতো বন্দর থেকে কয়লা নিয়ে যাত্রা শুরু করে এমভি আবদুল্লাহ নামের জাহাজটি।

এটি ১৯ মার্চ সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়া বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল। জাহাজটি ১২ মার্চ দুপুর ১:৩০ এর দিকে ভারত মহাসাগরে সোমালি জলদস্যুদের হাতে পড়ে।

প্রায় এক মাস পর মুক্তিপণের বিনিময়ে জাহাজসহ ২৩ জন নাবিককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

২০১০ সালে, কেএসআরএম গ্রুপের আরেক জাহাজ এমভি জাহান মনি সোমালি জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হয়। ৯৯ দিন পর জাহাজটি মুক্তি পায়।