পেরুর সাবেক প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফুজিমোরির জিহ্বায় ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এ কথা জানান তিনি।
ফুজিমোরি ১৯৯০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত পেরুর প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ২০০৯ সালে তাকে ২৫ বছরের জন্য কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বহু অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে ১৯৯১ ও ১৯৯২ সালে ২৫ ব্যক্তিকে হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অপরাধে তাকে ওই কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
২০০৭ সালে চিলি থেকে ফুজিমোরিকে পেরুর কাছে হস্তান্তর করা হয়। তখন থেকে ১৬ বছর কারাবন্দী ছিলেন তিনি। ২০১৭ সালে ফুজিমোরির সাজা মাফ করে দিয়েছিলেন দেশটির তৎকালীন প্রেসিডেন্ট পেদরো পাবলো কুসিনিস্কি। তবে সে যাত্রায় তিনি মুক্তি পাননি।
২০২৩ সালে স্বাস্থ্যের অবস্থার অবনতি হওয়ায় মানবিক কারণে মুক্তি দেওয়া হয় ৮৫ বছর বয়সী এই সাবেক প্রেসিডেন্টকে।
ভিডিও বার্তায় ফুজিমোরি বলেন, ‘‘এখন আমি আমার স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি। আমি একটি নতুন যুদ্ধের মুখোমুখি।’’
তিনি বলেন, ‘‘জিহ্বায় নতুন একটি টিউমার শনাক্ত হয়েছে যা মেলিগন্যান্ট। ফলে পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে আমি চিকিৎসা শুরু করতে যাচ্ছি।’’
সমালোচকেরা বলেন, তিনি তার শাসনকালে গণতন্ত্রের অপব্যবহার করেছেন ও একনায়কতন্ত্র গড়ে তুলেছেন।
যদিও ফুজিমোরির সমর্থকদের দাবি, তিনি দেশটিকে অর্থনৈতিক ধস ও বামপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী সাইনিং পাথের হাত থেকে রক্ষা করেছেন।