২০১৫ সালের ১৪ জুলাই প্রতিষ্ঠা লাভ করে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের দক্ষিণ-পঞ্চিমাঞ্চলে প্রথম উচ্চতর কৃষিশিক্ষা ও গবেষণার পথিকৃৎ খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (খুকৃবি) ১১ বছরের গৌরবময় যাত্রাপথ অতিক্রম করে ১২তম বর্ষে পদার্পণ করেছে।
দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১০টায় জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
সকাল সাড়ে ১০টায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বাঁধন’এর স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এরপর, সকাল ১০.৪০ মিনিটে আন্তঃঅনুষদীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
সকাল ১১ টায় আন্তঃদলীয় ইংরেজি ভাষার দক্ষতা প্রতিযোগিতা, দুপুর ১২ টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কেক কাটা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা করা হয়।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নাজমুল আহসান। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. শামীম আহমেদ কামাল উদ্দিন খান, রেজিস্ট্রার(ভারপ্রাপ্ত) মো. রেজাউল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, “দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে আস্থা তৈরিতে সক্ষম হয়েছে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রায় সব শাখার সম্মিলনে বিশ্ববিদ্যালয়টি পূর্ণাঙ্গরূপ পাওয়ার পথে এবং সমৃদ্ধির বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অনেক দূর এগিয়ে যাবে।”
তিনি জানান, জমি অধিগ্রহণসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর করতে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
ট্রেজারার তার বক্তব্যে বলেন, ভবিষ্যতে আমরা খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে উদ্ভাবন, মানবিকতা, সৃজনশীলতা ও দায়িত্ববোধে পরিপূর্ণ এক জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রে পরিণত করতে চাই। পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে তরুণদের সৃষ্টিশীল মনন ও নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিই গড়ে তুলবে আগামী দিনের বাংলাদেশ; আর সেই যাত্রায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থাকবে পথপ্রদর্শকের ভূমিকায়।