‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য এক বিবৃতিতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টকে জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল ও অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তারা বলেন, “শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবিকে কেন্দ্র করে সূচিত আন্দোলন পরবর্তীতে সমগ্র জাতির ন্যায়বিচার, বৈষম্যহীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার গণআকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত হয়।”
বিবৃতিতে মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের প্রতি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। একইসঙ্গে আহত এবং সাহসিকতার সঙ্গে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সকলের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বাস করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় কেবল জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র নয়; এটি স্বাধীন চিন্তা, নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিক মর্যাদা এবং দায়িত্বশীল নাগরিকত্ব বিকাশের অন্যতম ভিত্তি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা-সাম্য, ন্যায়, মানবিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অধিকার-শিক্ষা, গবেষণা ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
বুয়েট পরিবারের সকল সদস্যের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শিক্ষা ও আদর্শ ধারণ করে একটি ন্যায়ভিত্তিক, সহনশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
পরিশেষে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সকলের বিদেহী রুহের মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করা হয় এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। একইসঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত বুয়েটের সকল সদস্যের প্রতিও আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করা হয়।