স্বাস্থ্যমন্ত্রী: সব ধরনের টিকা দেশে উৎপাদনের প্রস্তুতি চলছে

করোনাভাইরাসের মহামারি প্রতিরোধে প্রতিবছরই টিকা প্রয়োগের ইঙ্গিত দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, “প্রতি বছরই করোনাভাইরাসের টিকা নেওয়া লাগবে কি-না তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি।”

শুক্রবার (২২ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি (বিডিএস) ভর্তি পরীক্ষা পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দেশে টিকা উৎপাদনের কাজ চলমান রয়েছে। শুধু করোনাভাইরাসের টিকা নয়, সব রোগ প্রতিরোধে টিকা উৎপাদনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ডায়ারিয়া প্রতিরোধে মে মাসে ঢাকার ৫টি স্থানে টিকাদান কর্মসূচির বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “ডায়রিয়ার প্রকোপ কমাতে টিকাদান কর্মসূটি হাতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কাজ চলমান রয়েছে। সাধারণত যেখানে কলেরা বা ডায়রিয়ার প্রকোপ বেশি সেখানেই এটা দেওয়া হবে। টিকাদান কর্মসূচির পরিধি বাড়ানো হবে।”

তিনি বলেন, “টিকা নিলে যে সফলতা আসে, তার সুফল করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে প্রমাণ মিলেছে। গত এক মাস যাবত করোনাভাইরাসে মৃত্যু নেই। সংক্রমণ মাত্র ৩০শের ঘরে। যার ফলে আমরা স্বস্তিতে রয়েছি। অর্থনীতির অবস্থা অনেক ভালো।”

বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা প্রসঙ্গে জাহিদ মালেক বলেন, “২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি (বিডিএস) ভর্তি পরীক্ষা খুবই সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় হয়েছে, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নিয়ে শিক্ষার্থীরা সন্তুষ্ট। এছাড়া প্রশ্নফাঁস এড়াতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি পরীক্ষা ব্যবস্থা ও পরীক্ষার মান আরও কিভাবে উন্নত করা যায়।”

তিনি বলেন, “সারা দেশের মোট ৬৫ হাজার ৯০৭ পরীক্ষার্থী ৫৪৫টি আসনের বিপরীতে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। প্রতি আসনের জন্য লড়ছেন ১২১ শিক্ষার্থী। বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ১ হাজার ৪০৮ সিট রয়েছে। মোট ১ হাজার ৯৫০টি সিট রয়েছে ডেন্টাল শিক্ষার্থীদের জন্য। এই পরীক্ষা ১২টি সেন্টার ও ২৬টি কেন্দ্র নেয়া হয়েছে। ঢাকার ৩০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।”