পাখির বিষ্ঠা দিয়ে তৈরি ফেসিয়াল, দাম ১৮ হাজার টাকা!

ত্বক ভেতর থেকে পরিষ্কার করতে ফেসিয়াল করা হয়। অনেকে নিয়মিত ফেসিয়াল করেন। এতে ত্বকের পরিচ্ছন্নতা ও সজীবতা ফিরে পাওয়া যায়। মুখের পরিচর্যা নিয়মিত করলে পরবর্তী সময়ে বা বয়স বাড়লে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়।

এই ফেসিয়াল নিয়ে নানা ধরনের গল্প ছড়ানো রয়েছে। বলা হয়, দই, শসা বা মধু দিয়ে অনেকে ফেসিয়াল করেন। ত্বকের লাবণ্য বাড়াতে আরও অনেকভাবেই ফেসিয়াল করা হয়। তাই বলে  পাখির বিষ্ঠা দিয়ে ফেসিয়াল করা?

জানা গেছে, বিশ্বে এক ধরনের পাখির বিষ্ঠা দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহৃত হচ্ছে সৌন্দর্যচর্চায়। এই ফেসপ্যাক ব্যবহারে খরচ পড়ছে বাংলাদেশি টাকায় ১৮ হাজার টাকা।

জাপানি নাইটিঙ্গেল পাখির বিষ্ঠা দিয়েই বিশেষ ধরনের এই ফেসপ্যাক তৈরি করা হয়। যা রীতিমতো জনপ্রিয়। যদিও দামের কারণে এই ফেসপ্যাক সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। সাধারণত জাপানি নাইটিঙ্গেল পাখির বিষ্ঠায় তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহার করেন সেলিব্রেটি এবং ধনকুবেররা। এই ফেসপ্যাক শুধুমাত্র জাপানি দ্বীপ কিউশুতে পাওয়া নাইটিঙ্গেলের বিষ্ঠা দিয়েই তৈরি করা হয়। এখন প্রশ্ন, পাখির বিষ্ঠার কোন বিশেষত্বের কারণে তা মুখমণ্ডলে ব্যবহার করা হচ্ছে?

গবেষকরা জানিয়েছেন, নাইটিঙ্গেল পাখির বিষ্ঠায় গুয়ানিন নামের একপ্রকার উৎসেচক থাকে। গুয়ানিন ত্বককে নরম রাখে।  এ কারণেই এই প্যাক ইতিমধ্যে ব্যবহার করেছেন হলিউড তারকা টম ক্রুজ, ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম-সহ একাধিক তারকা।  জাপানে প্রাচীনকাল থেকেই এই ফেসপ্যাক ব্যবহার শুরু হয়। তখন জাপানি থিয়েটার শিল্পীরা নাইটিঙ্গেল পাখির বিষ্ঠার ফেসিয়াল ব্যবহার করে করতেন। কারণ তাদের মুখে যে ঘন, সাদা মেকআপ করা হতো তাতে প্রচুর সীসা থাকত। তারা দেখলেন, এই ফেস প্যাক ব্যবহারে ত্বকের উজ্জ্লতা বাড়ে ও তারুণ্য বজায় থাকে। তারপর থেকেই এই ফেসপ্যাক ব্যবহারের প্রচলন চলছে।

নিয়মিত ফেসিয়াল করলে ব্রণ ও দাগ কমাতে সহায়তা করে; বলিরেখা কমায়; রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে; ব্ল্যাকহেডস দূর করে; ফেসিয়াল ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখে; ত্বককে নরম ও মসৃণ রাখে।