জার্মানিকে হারিয়ে বিশ্বকাপে ইতিহাস ইকুয়েডরের

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে শেষ বত্রিশে জায়গা করে নিয়েছে ইকুয়েডর। নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে শক্তিশালী জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।

খেলা শুরুর মাত্র দুই মিনিটের মাথায় ফ্লোরিয়ান ভার্টজের চমৎকার পাস থেকে গোল করে জার্মানিকে এগিয়ে দেন লেরয় সানে। দ্রুত গোল হজম করে চাপে পড়ে যায় ইকুয়েডর।

তবে সেই গোলের আগে পেদ্রো ভিতের ওপর আলেক্সান্ডার পাভলোভিচের বিপজ্জনক ট্যাকলের ঘটনায় ফাউলের দাবি তুলেছিল ইকুয়েডরের খেলোয়াড়রা। কিন্তু রেফারি তাদের আবেদন আমলে নেননি। সেই ক্ষোভই যেন বাড়তি শক্তি জুগিয়েছিল দলটিকে। 

গ্যালারিজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হাজারো হলুদ জার্সিধারী সমর্থকের উচ্ছ্বাসে ভর করে দ্রুত ম্যাচে ফিরে আসে ইকুয়েডর। নবম মিনিটে নিলসন আঙ্গুলো নিচু শটে ম্যানুয়েল নয়্যারকে পরাস্ত করে সমতায় ফেরান দলকে।

বিরতির পরও আক্রমণ অব্যাহত থাকে ইকুয়েডরের। অবশেষে ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলের জন্য দ্রুততম প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে গনসালো প্লাতা নয়্যারের আগে বল স্পর্শ করেন এবং জালে পাঠিয়ে দেন। সেই গোলেই স্টেডিয়ামজুড়ে শুরু হয় উদ্‌যাপন।

শেষদিকে সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে জার্মানি। তবে ইকুয়েডরের রক্ষণভাগ অসাধারণ দৃঢ়তা দেখায়। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ক্লিয়ারেন্স ও ব্লকে তারা জয়ের ব্যবধান ধরে রাখে।

এই জয়ের পর ‘ই’গ্রুপে তিন ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের তৃতীয় সেরা দলগুলোর তালিকায় সবার ওপরে থেকে বিশ্বকাপে শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে ইকুয়েডর, যা ২০০৬ বিশ্বকাপের পর দলটির প্রথম নকআউট পর্ব। অন্যদিকে হারলেও ‘ই’ গ্রুপের সেরা হয়েই নকআউটে উঠলো জার্মানি। তিন ম্যাচে তাদের পয়েন্ট আইভরিকোস্টের সমান ৬।