কুরাসাওকে হারিয়ে প্রথমবার নকআউট পর্বে আইভারিকোস্ট

ফিলাডেলফিয়ায় গ্রুপ পর্বে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে কুরাসাওকে ২-০ গোলে হারায় আইভরিকোস্ট। জোড়া গোলে দলের জয়ের নায়ক নিকোলাস পেপে।  

তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক হারে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘ই’ গ্রুপের রানার্সআপ হয়ে পরের ধাপে উঠলো আইভরিকোস্ট। নিজেদের ইতিহাসে এই প্রথম বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে তারা। এর আগে ২০০৬ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত তিন আসরে খেলে, তিনবারই ছিটকে গিয়েছিল গ্রুপ পর্ব থেকে।

দুই দলের প্রথমার্ধের খেলা ছিল নিষ্প্রাণ। বলের নিয়ন্ত্রণে আধিপত্য করলেও আক্রমণে ধার ছিল না আইভরিকোস্টের। 

বিরতির আগে দুই দল পোস্টে একটি করে শট রাখতে সক্ষম হয়। সপ্তম মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ওই এক শটই কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় আইভরিকোস্ট।

বাম দিকের বক্সের বাইরে কুরাসাওয়ের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বল চলে যায় ইয়ান ডায়মন্ডের কাছে। কিছুটা এগিয়ে বাইলাইনের একটু ওপর থেকে তিনি কাটব্যাক করেন বক্সে। নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদ করেন পেপে।

৩৯তম মিনিটে কুরাসাওয়ের তাহিথ চংয়ের বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার শট যায় বাইরে।

দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দল শুরু ঢিমেতালে। তবে, সময় গড়ানোর সাথে সাথে ব্যবধান দ্বিগুণের চেষ্টা বাড়াতে থাকে আইভরিকোস্ট। ৫৩তম মিনিটে ভালো সুযোগ নষ্ট করেন কেসিয়ে। বক্সের ওপরে জায়গা করে, এই ফরোয়ার্ডের নেওয়া শট এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পাল্টে কর্নার হয়ে যায়। সেই কর্নার কাজে লাগাতে পারেনি আইভরিকোস্ট।

৬৪তম মিনিটে সাঙ্গারের রক্ষণ চেরা পাস এক ডিফেন্ডার স্লাইড করেও নাগাল পাননি। বল পেয়ে যান পেপে।  

মাঝমাঠ থেকে ইব্রাহিম সাঙ্গারের চমৎকার থ্রু পাস ধরে কুরাসাও রক্ষণভাগ ভেঙে বক্সে প্রবেশ করেন তিনি। এরপর বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল পাঠিয়ে দেন দূরের পোস্ট ঘেঁষে জালে। দৃষ্টিনন্দন এই গোলের পর আইভরিকোস্টের সমর্থকদের উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে গ্যালারি।

আইভরিকোস্টকে চমকে দিতে চেয়েছিল কুরাসাও, কিন্তু চমকে দেওয়ার মতো কিছুই করতে পারল না তারা।