অপরাজিত কেপ ভার্দের রূপকথা থামাতে পারবে আর্জেন্টিনা?

২০২৬ বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমকগুলোর একটি উপহার দিয়েছে কেপ ভার্দে। মাত্র সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষের ছোট্ট এই দ্বীপরাষ্ট্র প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলেই জায়গা করে নিয়েছে নকআউট পর্বে। গ্রুপ পর্বে কোনো ম্যাচ না হেরে তারা নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে, আর সেই অর্জনের পুরস্কার হিসেবে শেষ ৩২-এ তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

গ্রুপ “এইচ”-এ তিন ম্যাচে তিনটি ড্র করে রানার্সআপ হয়েছে আফ্রিকার দলটি। শুরুতেই শক্তিশালী স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দেয় তারা। এরপর সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করে সবাইকে চমকে দেয়। শেষ ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষেও রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গোলশূন্য ড্র তুলে নিয়ে নকআউটের টিকিট নিশ্চিত করে কেপ ভার্দে।

দলের এই সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান রক্ষণভাগের। গোলরক্ষক ভোজিনহা একাধিক ম্যাচে অসাধারণ সব সেভ করে দলকে বিপদ থেকে বাঁচিয়েছেন। পাশাপাশি শৃঙ্খলাবদ্ধ ডিফেন্স ও পাল্টা আক্রমণের কৌশলই ছিল কেপ ভার্দের সবচেয়ে বড় শক্তি।

অন্যদিকে, গ্রুপ “জে”-তে দাপটের সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর্জেন্টিনা। প্রথম দুই ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে তারা আগেভাগেই নকআউট নিশ্চিত করে। ফলে গ্রুপসেরা হিসেবেই শেষ ৩২-এ উঠেছে লিওনেল স্কালোনির দল।

ফিফার নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, গ্রুপ ‘জে’-এর চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হয়েছে গ্রুপ ‘এইচ’-এর রানার্সআপ কেপ ভার্দে। আগামী ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই ম্যাচ। বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় শুরু হবে লড়াই।

কাগজে-কলমে আর্জেন্টিনাই পরিষ্কার ফেবারিট। তবে গ্রুপ পর্বে স্পেন ও উরুগুয়ের মতো শক্তিশালী দলকে রুখে দেওয়া কেপ ভার্দে ইতোমধ্যেই বুঝিয়ে দিয়েছে, তাদের বিপক্ষে কোনো দলই নিশ্চিন্তে মাঠে নামতে পারবে না। তাই নকআউটের এই লড়াইয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদেরও সতর্ক থাকতে হবে আফ্রিকার নবাগত দলটির বিপক্ষে।