বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের ম্যাচে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে জাপান। ম্যাচের ২৯তম মিনিটে সানোর দারুণ এক দূরপাল্লার শটেই লিড পায় এশিয়ার দলটি।
হাইড্রেশন ব্রেকের পরপরই আসে ম্যাচের একমাত্র গোল। মাঝমাঠে দানিলোর কাছ থেকে লুজ বল পেয়ে দ্রুতগতিতে কাসেমিরোকে কাটিয়ে এগিয়ে যান সানো। এরপর বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার নিখুঁত ডান পায়ের শট পোস্টের নিচের বাঁ কোণ ঘেঁষে জালে জড়ায়। গোলটি ঠেকানোর কোনো সুযোগই পাননি ব্রাজিলের গোলরক্ষক।
গোল হজমের আগে পুরো ম্যাচে আধিপত্য ছিল ব্রাজিলের। প্রথম ২৫ মিনিটে প্রায় ৭৫ শতাংশ বলের দখল রেখে একের পর এক আক্রমণ চালালেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি কার্লো আনচেলত্তির দল।
ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই গোলের সুযোগ তৈরি করে ব্রাজিল। বক্সের প্রান্ত থেকে ব্রুনো গিমারায়েসের শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। দুই মিনিট পর ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দিকে বাড়ানো বল জাপানের গোলরক্ষক সুজুকি এগিয়ে এসে পাঞ্চ করে বিপদমুক্ত করেন।
১০ মিনিটে দানিলোর ক্রস থেকে আরেকটি সুযোগ আসে ব্রাজিলের সামনে। তবে নেওয়া শট গিয়ে লাগে সতীর্থের গায়ে। ১৪ মিনিটে কুনহার দূরপাল্লার শট সুজুকি কর্নারের বিনিময়ে ঠেকিয়ে দেন। সেই কর্নার থেকে লুকাস পাকেতার শটও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
অন্যদিকে, ম্যাচের শুরুতে আক্রমণে খুব একটা দেখা না গেলেও ১৬ মিনিটে বিপজ্জনক জায়গা থেকে ফ্রি-কিক পায় জাপান। কামাদার শট রক্ষণদেয়ালে লেগে কর্নার হলেও সেখান থেকে বড় কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা।
পিছিয়ে পড়ার পর সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল। পাকেতার ফ্রি-কিক থেকে মারকুইনহোসের হেড অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়। এরপর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও কুনহার দূরপাল্লার দুটি শটও সহজেই তালুবন্দি করেন সুজুকি।
প্রথমার্ধের শেষদিকে পাল্টা আক্রমণে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে জাপান। ডান প্রান্তে রিতসু দোয়ান ধারাবাহিকভাবে ব্রাজিলের রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করেন। ৪৪ মিনিটে তার বাড়ানো বল থেকে জুনিয়া ইতো বিপজ্জনক সুযোগ তৈরি করলেও শেষ মুহূর্তে তা ক্লিয়ার করে বিপদ কাটায় ব্রাজিল। পরে হিরোকি ইতোর বাঁকানো ক্রসও কোনোমতে সামলে নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থেকেও গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল। বরং সানোর দুর্দান্ত এক গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় জাপান।