ডিআর কঙ্গোর স্বপ্নভঙ্গ, কেইনের জোড়া গোলে নকআউটে ইংল্যান্ড

ম্যাচের শুরুতেই গোল হজম করে চাপে পড়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধে একের পর এক আক্রমণ গড়েও সমতায় ফিরতে পারেনি থ্রি লায়নরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের গতি বাড়িয়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।

ম্যাচের শুরুতেই ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে এগিয়ে যায় ডিআর কঙ্গো। পিছিয়ে পড়ার পর ইংল্যান্ড বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখালেও প্রথম ৪৫ মিনিটে গোলের দেখা পায়নি।

বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড। সেই চাপের ফল আসে ৭৫তম মিনিটে। অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক হেডে সমতা ফেরান অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

সমতায় ফেরার পরও আক্রমণের ধার কমায়নি ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে আবারও প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়ে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের জয়সূচক গোলটি করেন কেইন। মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে করা এই দুই গোলেই ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে থ্রি লায়নরা।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে ইংল্যান্ড একটি ঐতিহাসিক কীর্তিও গড়েছে। ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে প্রথমে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ার পর এবারই প্রথম কোনো ম্যাচ জিতে মাঠ ছেড়েছে তারা। আর সেই স্মরণীয় প্রত্যাবর্তনের নায়ক ছিলেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

অন্যদিকে শুরুতে এগিয়ে থেকেও দারুণ লড়াই করা ডিআর কঙ্গো শেষ পর্যন্ত পরাজয় এড়াতে পারেনি। সাহসী পারফরম্যান্স সত্ত্বেও বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে আফ্রিকার দলটিকে।