লড়তে পারে। গড়তে পারে। পুরুষদের সাধ্য কী নারীকে “অবলা” ডাকার! অন্য অনেক কিছুর মতো নারীদের খেলায়ও তা প্রমাণ হয়। বিশ্বের জনপ্রিয়তম খেলা ফুটবলেও আছে এর নজির। গত ২০ জুলাই থেকে বিশ্ববাসী দেখে যাচ্ছেন নারী বিশ্বকাপ ফুটবল নামের এক জাদু। এক মাস তুমুল উত্তেজনার পর রবিবার হতে যাচ্ছে আসরের ফাইনাল।
এবার ফাইনালের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি অনেক বছর পর অলইউরোপীয় ফাইনাল। স্পেন ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার যে দলই জিতুক, বিশ্বকাপ ট্রফি ২০ বছর পর ফিরবে ইউরোপে। আরও একটি বিষয় হচ্ছে, ইংল্যান্ড ও স্পেন কখনোই আগে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেনি। তাই নিশ্চিত করে বলা যায়, নতুন এক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে পেতে যাচ্ছে প্রমীলা ফুটবল।
মেয়েদের ফুটবলে পরাশক্তি হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র এবার শেষ ষোল পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে। ম্যাচের পর ম্যাচজুড়ে অপ্রত্যাশিত রেজাল্টেই দুই নবাগত ফাইনালিস্ট পেয়েছে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ। গ্রুপ পর্বে ব্রাজিলের সঙ্গে বিদায় নিয়েছে জার্মানি, ইতালি ও মেয়েদের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন কানাডা। আবার নতুন চমক দেখিয়েছে কয়েকটি দল। প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টের শেষ ষোলোতে খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, জ্যামাইকা ও মরক্কো। বিরাট চমক দেখিয়েছে বিশেষত কলম্বিয়ার মেয়েরা। প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে এসে দলটি পৌঁছায় কোয়ার্টার ফাইনালে।
চার বছর আগের বিশ্বকাপে খেলেছিল ২৪টি দল। এবারের আসরে অংশ নিয়েছে ৩২টি দল। পুরো টুর্নামেন্টের মতো রবিবারের ফাইনালও উত্তাপ ছড়াবে বলে আশা করছেন ভক্তরা। প্রস্তুত সিডনি। প্রস্তুত নতুন চ্যাম্পিয়নের মঞ্চ। প্রস্তুত ট্রফি ইউরোপে নেওয়ার আকাশযানও।