Tuesday, July 21, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন 

১২০ মিনিটের খেলায় আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হলো স্পেন

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৭ এএম

১২০ মিনিটের খেলায় আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হলো স্পেন।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ফাইনালের ৯০ মিনিট গোলশূন্যভাবে শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে অবশেষে জালের দেখা পেল স্পেন। 

বদলি হিসেবে নামা ফেরান তোরেসের দুর্দান্ত ভলি গোলে এগিয়ে যায় লা রোহা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লিওনেল মেসিকে সামনে রেখে মরিয়া চেষ্টা চালিয়েও সমতায় ফিরতে পারেনি আর্জেন্টিনা। 

নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে এনসো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায় সংখ্যাগত সুবিধা নিয়ে অতিরিক্ত সময় শুরু করে স্পেন। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে সময় নেয় মাত্র ৩৭ সেকেন্ড। 

অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই ডান দিক দিয়ে আক্রমণ গড়ে তোলে স্পেন। পেদ্রো পোরোর ক্রস দূরের পোস্টে নিয়ন্ত্রণে নেন নিকো উইলিয়ামস। অসাধারণ দক্ষতায় বলটি নামিয়ে দেন ফেরান তোরেসের সামনে। এক মুহূর্ত দেরি না করে ডান পায়ের জোরালো ভলিতে এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করেন বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড।

১০৬ মিনিটের সেই গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন। বিশ্বকাপ ফাইনালে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে গোল করা ইতিহাসের মাত্র পঞ্চম ফুটবলার হন তোরেস। ২০১৪ সালে জার্মানির মারিও গ্যোটজের পর প্রথম বদলি হিসেবে ফাইনালে গোলের কীর্তিও গড়েন তিনি। 

অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধ থেকেই গোলের জন্য মরিয়া ছিল স্পেন। ৯৩ মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের হেড দারুণভাবে রুখে দেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

৯৬ মিনিটে উইলিয়ামস বল জালে পাঠালেও ভিএআর পর্যালোচনার পর মিকেল মেরিনোর ফাউলের কারণে গোল বাতিল করেন রেফারি। এতে স্বস্তি ফিরে পায় আর্জেন্টিনা। 

১০৫ মিনিটে আবারও খুব কাছে চলে গিয়েছিল স্পেন। উইলিয়ামসের ক্রস থেকে মেরিনোর হেড অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়।

স্পেনের একের পর এক আক্রমণের সামনে বারবার প্রাচীর হয়ে দাঁড়ান মার্টিনেজ। ৯৩ মিনিটে উইলিয়ামসের হেড, ৯৬ মিনিটে মেরিনোর শট, এরপর আরও কয়েকটি বিপজ্জনক আক্রমণ ঠেকিয়ে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক। 

তবে শেষ পর্যন্ত তোরেসের দুর্দান্ত ভলির সামনে তারও কিছু করার ছিল না।

গোল হজমের পর সব শক্তি দিয়ে আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসি একের পর এক সেটপিস ও কর্নার থেকে সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করেন।

১১৫ মিনিটে কর্নার থেকে তার ক্রস সরাসরি জালে ঢুকে যাওয়ার উপক্রম হলেও বল জালের ওপর দিয়ে চলে যায়।

১১৭ মিনিটে মেসির জোরালো শট নিজের মুখ দিয়ে আটকে দেন মিকেল মেরিনো। স্পেনের এই মিডফিল্ডার নিজের শরীর ঝুঁকিতে ফেলে দলকে নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে বাঁচান।

শেষ সময়ে কর্নার থেকে বল পেয়ে জুলিয়ানো সিমেওনের সামনে সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল। তবে পড়তে পড়তে নেওয়া তার শট উড়ে যায় সিমনের ক্রসবারের অনেক ওপর দিয়ে।

সব মিলিয়ে শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত মরিয়া চেষ্টা চালালেও ১০ জনের আর্জেন্টিনা আর গোল শোধ করতে পারেনি। 

বিশ্বকাপের ফাইনালে জয়ের মধ্য দিয়ে ইতিহাস গড়লো স্পেন। 

   

About

Popular Links

x