প্যারিস অলিম্পিকে পদক তালিকায় শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র, দ্বিতীয় চীন

পদক তালিকায় এক নম্বরে থেকে প্যারিস অলিম্পিক শেষ করলো যুক্তরাষ্ট্র। সমান সংখ্যক স্বর্ণ জিতেও তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীন, তিন নম্বরে জাপান, চারে অস্ট্রেলিয়া এবং পাঁচে আয়োজক দেশ ফ্রান্স। জার্মানি আছে ১০ নম্বর স্থানে। একটি রুপো ও পাঁচটি ব্রোঞ্জ নিয়ে ৭১তম স্থানে আছে ভারত। একটি স্বর্ণ পেয়ে পাকিস্তান আছে ৬২তম স্থানে। বাংলাদেশ কোনো পদক পায়নি।

প্যারিস অলিম্পিকের শেষ ইভেন্টে মেয়েদের বাস্কেটবলে স্বর্ণ জিতে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। ফলে তাদের স্বর্ণের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৪০। চীনও ৪০টি স্বর্ণ জিতেছে। দুই দেশ সমানসংখ্যক স্বর্ণ জিতলেও যুক্তরাষ্ট্র ৪৪টি রুপো ও ৪২টি ব্রোঞ্জ জিতেছে। চীন সেখানে ২৭টি রুপো জিতেছে। তারা ব্রোঞ্জ জিতেছে ২৪টি। তাই চীন দ্বিতীয় স্থানে আছে।

জাপান পেয়েছে ২০টি স্বর্ণ, ১২টি রুপো ও ১৩টি ব্রোঞ্জ। অস্ট্রেলিয়া পেয়েছে ১৮টি স্বর্ণ, ১৯টি রুপো ও ১৬টি ব্রোঞ্জ। ফ্রান্সের ঝুলিতে আছে ১৬টি স্বর্ণ, ২৬টি রুপো ও ২২টি ব্রোঞ্জ।

যুক্তরাজ্য ১৪টি স্বর্ণ, ২২টি রুপো ও ২৯টি ব্রোঞ্জ পেয়ে সপ্তম স্থানে আছে। আট নম্বরে থাকা রিপাবলিক অফ কোরিয়া ১৩টি স্বর্ণ, নয়টি রুপো ও ১০টি ব্রোঞ্জ পেয়েছে। ১০ নম্বরে থাকা জার্মানি পেয়েছে ১২টি স্বর্ণ, ১৩টি রুপো ও আটটি ব্রোঞ্জ।

প্যারিস অলিম্পিক

একটা অসাধারণ অলিম্পিক সংগঠন করলো প্যারিস। সেখানে অসাধারণ কিছু মুহূর্ত তুলে ধরলেন ক্রীড়াবিদরা। প্রচুর সুখ ও দুঃখের মুহূর্ত তৈরি হলো। কিছু বিতর্কও হলো। তবে সেসব ছাপিয়ে প্যারিসে উঠে এসেছে কিছু অ্যাথলিটের অসাধারণ সাফল্যের কাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্রীড়াবিদ বাইলস টোকিও অলিম্পিক থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন অসুস্থতার জন্য। তিনি সেই অসুস্থতা কাটিয়ে প্যারিসে তিনটি স্বর্ণ ও একটি রুপো জিতেছেন।

ছেলেদের ১০০ মিটার দৌড়ের সব প্রতিযোগী ১০ সেকেন্ডের কমে দৌড় শেষ করেছেন। এমন দৃশ্য তো এর আগে অলিম্পিকে দেখা যায়নি। কেনিয়ার কিপইয়েগন তিনটি স্বর্ণ জিতলেন। পাকিস্তানের আরশাদ নাদিম জ্যাভলিনে রেকর্ড করে স্বর্ণ জিতলেন। এ সবই প্যারিস অলিম্পিকে সাফল্যের রূপকথাসম কাহিনী হয়ে রইলো।