বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিনের সকাল আঁটসাঁট বোলিং দিয়ে শুরু করে। দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ব্যাটসম্যানও কোনো ঝুঁকি নেননি। প্রথম ৫ ওভারে রান ওঠে মাত্র ১০। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ৪ ইউকেটে ৩৯১ রান। টনি ডি জর্জি ১৭৭ রানে তাইজুল ইসলামের বলে আউট হন।
ষষ্ঠ ওভারে হাসান মাহমুদ একটু বাইরে বল ডেলিভারি করায় সুযোগ পেয়ে দিনের প্রথম বাউন্ডারি মারেন ডেভিড বেডিংহ্যাম। ওই শটেই টনি ডি জর্জির সঙ্গে তার জুটি পেরিয়ে যায় ৫০।
দিনের দ্বিতীয় ওভারে হাসান মাহমুদের হালকা ভেতরে ঢোকা বল ঠিকমতো খেলতে পারেননি ডেভিড বেডিংহ্যাম। বল লাগে তার প্যাডে। বাংলাদেশের জোরাল আবেদনে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার জোয়েল উইলসন। তবে ব্যাটসম্যান রিভিউ নেন সঙ্গে সঙ্গেই।
রিভিউয়ে দেখা যায়, প্যাডে লাগার আগে ব্যাট বেশ ভালেভাবেই লাগে ব্যাটে। বেশ শব্দও হয় ব্যাটে লাগার। ব্যাটে লাগার ব্যাপার এতটাই স্পষ্ট ছিল যে, তৃতীয় আম্পায়ার এমনকি আল্ট্রা-এজ দেখার প্রয়োজনও মনে করেননি। বাংলাদেশের উল্লাস থেমে যায় দ্রুতই।
দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটার ডেভিড বেডিংহ্যাম ৭০ বলে ৫০ করেছেন। অষ্টম টেস্ট খেলতে নামা ব্যাটসম্যানের তৃতীয় ফিফটি এটি। সেঞ্চুরি আছে একটি। আগের দিন দুটি ছক্কা মারা ব্যাটসম্যান দ্বিতীয় দিন সকালেও একটি ছক্কা মারেন তাইজুল ইসলামকে। তিন ছক্কার পাশে তার ইনিংসে চার দুটি।
তাইজুলের বলে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে বল সীমানা ছাড়া করেন টনি ডি জর্জি। দ্বিতীয় দিনে তার প্রথম বাউন্ডারি এটি। এই শটেই তার সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৫০। ১১ চার ও ২ ছক্কায় ২৩৫ বলে ১৫০ হয় তার। পরের বলে বাউন্ডারি মারেন তিনি আরেকটি।