দেশজুড়ে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতের প্রভাবে আগামী ৭২ ঘণ্টায় ৪ জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেপানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। সেই সঙ্গে এ সময়ে কয়েকটি জেলার নদ-নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে।
শনিবার (২০ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৫ দিন দেশের অভ্যন্তরে রংপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন উজানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এ অবস্থায় গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল থাকলেও আগামী ৫ দিনে এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। সেই সঙ্গে আগামী ৩ দিন গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং পরবর্তী ২ দিন তা বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী ৩ দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে এই সময়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় নদীগুলোর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
সেই সঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীগুলোর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ৩ দিনে এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। এই অবস্থায় আগামী ৭২ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও রংপুর জেলায় এসব নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা সৃষ্টি হতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ময়মনসিংহ বিভাগের সোমেশ্বরী, জিঞ্জিরাম ও কংস নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি ভুগাই নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে।



