বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে প্রথম নিহত আবু সাঈদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) আয়োজিত স্মরণসভায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কম উপস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক মাঠে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হতাশা প্রকাশ করেন।
মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, “রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠীরা এই চত্বরকে ‘আবু সাঈদ চত্বর’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আমি ধারণা করেছিলাম, আজকের এই চত্বরে যতই গরম থাকুক না কেন, আবু সাঈদকে স্মরণ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা একাকার হয়ে যাবেন। এখানে তিল ধারণের জায়গা থাকবে না।”
তিনি বলেন, “কিন্তু আমি হতাশ হয়েছি। আবু সাঈদের সহপাঠীরা এই আয়োজনকে কেন আরও প্রাণবন্ত করে তুললেন না? কেন অর্ধেকের বেশি চেয়ার খালি পড়ে আছে? এটা শুধু আমার জন্য নয়, আপনাদের সবার জন্যই কষ্টের।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা মঞ্চে দাঁড়িয়ে অনেক সুন্দর বক্তৃতা দেই, কিন্তু সেই বক্তব্যের বাস্তবায়ন করি না। এখন সময় এসেছে বক্তৃতার বাস্তবায়নের। আজ যদি এই চত্বর মানুষে পরিপূর্ণ থাকত, তাহলে আবু সাঈদ কবরেও শান্তি পেতেন যে, ১৬ জুলাই তার সহপাঠীরা তাকে কীভাবে স্মরণ করছেন। আমি সত্যিই দুঃখিত ও হতাশ।”



