Wednesday, August 12, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

আশুলিয়ায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় এনসিপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ২

অপহরণের ঘটনায় সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম

ঢাকার আশুলিয়ায় সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৬) অপহরণের ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই অপহরণের ঘটনায় তাদের সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। 

এর আগে মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, এনসিপির ঢাকা জেলা উত্তরের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক তৌহিদুর ইসলাম সানভি এবং নাজিম। তবে এই অপহরণ চক্রের মূল অভিযুক্ত শাকিল (২৩) এখনো পলাতক রয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী প্রতিদিন সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে যাতায়াত করত। বখাটে শাকিল ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে আসা-যাওয়ার পথে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। গত সোমবার সকাল ৮টার দিকে মেয়েটিকে স্কুলে দিয়ে আসেন তার মা আরিফা আক্তার। পরে দুপুর সোয়া ২টার দিকে মেয়েকে স্কুল থেকে আনতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, দুপুর ২টার দিকে স্কুল গেটের সামনে থেকে বখাটে শাকিল ও তার সহযোগীরা অসৎ উদ্দেশ্যে ওই স্কুলছাত্রীকে ফুঁসলিয়ে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে গেছে।

এ ঘটনায় অপহৃত ছাত্রীর মা আরিফা আক্তার বাদী হয়ে মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আশুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে আশুলিয়ার মধুপুর এলাকার শাকিলকে প্রধান আসামি করা হয়। পুলিশ জানায়, মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় পুলিশ জানতে পারে, এই অপহরণের ঘটনার পেছনে এনসিপি নেতা তৌহিদুর ইসলাম সানভি এবং নাজিমের সরাসরি সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতা রয়েছে। এরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। 

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, স্কুলছাত্রী অপহরণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে এনসিপি নেতা সানভি ও নাজিমের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্তে এই ঘটনায় তাদের সরাসরি ইন্ধন ও সহযোগিতা থাকার বিষয়টি উঠে আসায় তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

   

About

Popular Links

x