Sunday, August 16, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

উত্তাল সাগরে শেষ হয়ে গেলো স্পিডবোটের জ্বালানি, যেভাবে তীরে পৌঁছালেন যাত্রীরা

স্পিডবোটের চালকের লাইসেন্স ও রুট পারমিট ছিল কি না, এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেনি বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম

চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ নৌপথে সব ধরনের যান চলাচলের ওপর বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয় একটি স্পিডবোট। 

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে স্পিডবোট ছাড়ার পর এ ঘটনা ঘটে।

এরপর যা হলো

যাত্রীদের বেশিরভাগই জরুরি প্রয়োজনে চট্টগ্রামে যাচ্ছিলেন। এজন্য ৩,২০০ টাকা খরচও করেন যাত্রীরা। কিন্তু স্পিডবোটটি ছাড়ার কিছুক্ষণের ভেতরই জ্বালানি ফুরিয়ে যায়। 

জানা গেছে, প্রায় ৪ ঘণ্টা উত্তাল সমুদ্রে ভেসে ছিল স্পিডবোটটি। একপর্যায়ে ভাসতে ভাসতে উপজেলার ভাটেরখিলের কাছে উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বনে গিয়ে থামে। স্পিডবোটটি যখন উপকূলের বাগানে থামে ঘড়ির কাঁটায় বেলা ২টা। 

পরে যাত্রীরা ম্যানগ্রোভ বাগান থেকে হেঁটে সীতাকুণ্ডের ভাটেরখিল নামক একটি এলাকায় পৌঁছান তারা। সেখান থেকে অটোরিকশা করে ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়েতে ওঠেন তারা।

স্পিডবোটটির এক যাত্রীর ভাষ্যমতে, সেইসময়ের অনুভূতিটি ছিল অনেকটা রাজ্য জয়ের মতো। মরতে মরতে বেঁচে যাওয়ার আনন্দের চেয়ে বেশি তো কোনো কিছুই হতে পারে না।

নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই স্পিডবোট চালানোর বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। 

স্পিডবোটের চালকের লাইসেন্স ও রুট পারমিট ছিল কি না, এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেনি বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।

   

About

Popular Links

x