জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিভাজন অধ্যাদেশের বিরোধিতা করে আন্দোলনের কারণে সাময়িক বরখাস্তের পর লঘুদণ্ড পাওয়া ২০ কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফ করেছে সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাদের শাস্তির আদেশ দেওয়া হয়।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে আলাদা আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।
লঘুদণ্ডপ্রাপ্ত ২১ কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে প্রজ্ঞাপনগুলোতে।
গত ২ সেপ্টেম্বর এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব আহসান হাবিব স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
জানা গেছে, রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের শাস্তি মওকুফ করা হয়েছে।
এর আগে, গত ১৮ অগাস্ট রাজস্ব সম্মেলনে এনবিআর কর্মকর্তারা তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া শাস্তি তুলে নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আবেদন জানান।
একইসঙ্গে তারা এখনও নানা ধরনের শাস্তির ভয়ে রাজস্ব আদায় বিঘ্ন হওয়ার শঙ্কার কথা তুলে ধরলে সরকারপ্রধান অতীত ভুলে তাদেরকে সামনে এগিয়ে যেতে বলেন। সেখানেই শাস্তি মওকুফের আশ্বাস মেলে।
এসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সংগঠকের ভূমিকা পালন করাসহ নানা অভিযোগে মূল বেতন দুই ধাপ বা ততোধিক কমানোর শাস্তি দেওয়া হয়েছিল।
দণ্ড বাতিল করা কর্মকর্তারদের মধ্যে রয়েছেন—ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিল (উপকর কমিশনার, কর অঞ্চল-২১, ঢাকা), মির্জা আশিক রানা (অতিরিক্ত কর কমিশনার, কর অঞ্চল-দিনাজপুর), মোনালিসা শাহরীন সুমিতা (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-ময়মনসিংহ), মো. মামুন মিয়া (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-যশোর), চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী (অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কর অঞ্চল-গাজীপুর), সুলতানা হাবীব (অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কর অঞ্চল-১২, ঢাকা), মুরাদ আহমেদ (অতিরিক্ত কর কমিশনার, কর অঞ্চল-যশোর), মামুনা খাতুন (যুগ্ম কর কমিশনার, ই-ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট ইউনিট, ঢাকা), মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দীন খান (যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-ফরিদপুর), মো. জিল্লুর রহমান।



এনবিআরের আন্দোলন প্রত্যাহার