Sunday, September 06, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বিমানকর্মীর কাছ থেকে ২৫ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার

শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানকর্মীর বেল্টে লুকানো অবস্থায় স্বর্ণের বার পাওয়া যায়

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০১ পিএম

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক কর্মীর কাছ থেকে ১২০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে ঢাকার কাস্টমস হাউস ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ দল। উদ্ধার করা স্বর্ণের মোট ওজন ১৩.৯২ কেজি, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ কোটি টাকা।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বআ হয়, এদিন বেলা ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুবাই-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি-১৪৮-এ স্বর্ণ চোরাচালানের তথ্য পায় ঢাকার কাস্টমস হাউস। পরে কাস্টমস কর্মকর্তা ও প্রিভেন্টিভ টিম বিমানে বিশেষ তল্লাশি চালায়।

বিমানটির মেকানিক্যাল ও ক্লিনিং দলের সদস্যরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষে বিমান থেকে নামার সময় তাদের তল্লাশি করা হচ্ছিল। এ সময় বিমানের অ্যাসিস্ট্যান্ট টেকনিক্যাল হেলপার মো. সোয়েব গাজীর পরিহিত বেল্টের মধ্যে কালো স্কচটেপে মোড়ানো কয়েকটি বস্তু পাওয়া যায়।

পরে বস্তুগুলো কাস্টমস হলে নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার উপস্থিতিতে ইনভেন্টরি করা হলে সেখানে ১২০টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। প্রতিটি বারের ওজন ১১৬ গ্রাম হিসেবে মোট ওজন দাঁড়ায় ১৩.৯২ কেজি। এসব স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে এনবিআর।

কাস্টমসের প্রাথমিক ধারণা, মো. সোয়েব গাজী কালো স্কচটেপে মোড়ানো স্বর্ণের বারগুলো শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে দেশে নিয়ে আসেন। পরে এগুলো বিমানবন্দর সীমানার বাইরে পাচারের আশঙ্কা ছিল।

ঢাকার কাস্টমস হাউস ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে স্বর্ণ চোরাচালানের চেষ্টা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে উল্লেখ করে এনবিআর জানিয়েছে, অভিযানের সময় এভসেক, কাস্টমস গোয়েন্দা ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এনবিয়ার জানিয়েছে, জব্দ করা স্বর্ণের বারগুলো তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দর কাস্টমসের গুদামে জমা করা হয়েছে। এছাড়া অখালাসকৃত বা চোরাচালানের অভিযোগে আটক ও বাজেয়াপ্ত পণ্যের নিষ্পত্তি পদ্ধতি-সংক্রান্ত স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী মূল্যবান ধাতু হিসেবে স্বর্ণের বারগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

   

About

Popular Links

x