Thursday, September 10, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মধুমতির ভয়াবহ ভাঙন রোধে আলফাডাঙ্গায় মানববন্ধন

গ্রামের সর্বস্তরের মানুষের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৯ পিএম

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের চরখোলাবাড়িয়া ও গোপালপুর ইউনিয়নের দিগনগর এলাকায় মধুমতি নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদীভাঙন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসা, কবরস্থান, ঈদগাহ, বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর গ্রামের সর্বস্তরের মানুষের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে স্থানীয়রা জানান, মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙনে প্রতিদিনই আবাদি জমি ও বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় চরখোলাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আল-হেরা দাখিল মাদ্রাসা, মোকছেদ মোল্লা এতিমখানা মাদ্রাসা, স্থানীয় মসজিদ, ঈদগাহ, কবরস্থান ও পোস্ট অফিসসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো হুমকির মুখে পড়েছে।

অন্যদিকে গোপালপুর ইউনিয়নের দিগনগর গ্রামেও ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে দিগনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দিগনগর জামে মসজিদ, ঈদগাহ, কবরস্থান, রাস্তা, বসতভিটা ও ফসলি জমি। স্থানীয়দের দাবি, নদীর ভাঙনে এরই মধ্যে অসংখ্য বসতবাড়ি ও বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ক্ষতির মুখে পড়েছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মধুমতির ভয়াবহ ভাঙনে দিন দিন ছোট হয়ে আসছে এলাকার জনপদ। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগরের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এতে শত শত পরিবার বসতভিটা হারিয়ে গৃহহীন হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।

তারা আরও বলেন, ভাঙন ঠেকাতে সাময়িক ব্যবস্থা নয়, দ্রুত স্থায়ী ও কার্যকর বাঁধ নির্মাণ করতে হবে। একই সঙ্গে নদীভাঙনে ঝুঁকিতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও বসতবাড়ি রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আল-হেরা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আব্দুর রব, সহকারী শিক্ষক মো. সেকেন্দার খাঁন, চরখোলাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলমগীর খাঁনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ফরিদপুর উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিব হোসেন বলেন, “ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলে প্রতিরোধের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য প্রকল্প অনুমোদনের চেষ্টা করা হচ্ছে।“

   

About

Popular Links

x