Saturday, September 26, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ভারত এবং শেখ হাসিনার বিষয়ে যা বললো যুক্তরাষ্ট্র

প্রেস ব্রিফিং -এ বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সাংবাদিকরা অংশ নেন

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছাবে বলে আশা করছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে শেখ হাসিনার সঙ্গে কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে ওয়াশিংটনের নির্দিষ্ট কোনো মতামত নেই বলে জানিয়েছে দেশটি। বিডি নিউজ ২৪ এর একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে ‘অন-ব্যাকগ্রাউন্ড’ ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা ট্রাম্প প্রশাসনের এ অবস্থান তুলে ধরেন। ‘স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ ও সার্বভৌম দক্ষিণ এশিয়ার সমর্থনে মার্কিন নীতি’ শীর্ষক ওই ব্রিফিং নিউইয়র্ক ফরেন প্রেস সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সাংবাদিকরা অংশ নেন।

শেখ হাসিনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাইলে মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেয়নি। তিনি বলেন, বিষয়টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বৈরিতার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই দুই দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটি সমাধানে পৌঁছাবে বলে আশা করছে ওয়াশিংটন।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, "হাসিনার সঙ্গে কী হওয়া উচিত, তা আমরা এখনো নির্দিষ্ট করে জানাইনি।"

২০২৪ সালের আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। গত নভেম্বরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেন।

ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মার্কিন কর্মকর্তা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করতে চাননি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে এবং বিএনপির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক খুবই ভালো।

তিনি বলেন, "আমরা নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী ও নিরাপদ করার যে কাজ চলছে, আমরা তার পাশে রয়েছি। বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কার্পণ্য নেই। তাই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে কিছু বলাটা সমীচীন মনে করছি না।"

বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও চীনের সম্পর্ক নিয়েও ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন করা হয়। এ সময় মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশকে কোনো একটি দেশ বেছে নিতে বলছে না যুক্তরাষ্ট্র। বরং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা সুসংহত করতে দেশটির সঙ্গে কাজ করতে চায় ওয়াশিংটন।

 

   

About

Popular Links

x