Monday, September 28, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মেঘনায় ট্রলারডুবির ঘটনায় তিন ভাইবোনের পর এবার বাবার মরদেহ উদ্ধার

এ নিয়ে মোট ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০৯ পিএম

কুমিল্লা থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে যাওয়ার পথে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের (৫৪) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিখোঁজের চারদিন পর সোনারগাঁওয়ের মেঘনা নদীর শাখা নদী মারিখালীর রতনপুর ব্রিজের নিচে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৫ জনে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বৈদ্যেরবাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শাহ কামাল ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রলারডুবির ঘটনায় দুর্ঘটনাজনিত একটি মামলা হয়েছে।” 

এর আগে, শুক্রবার রাত থেকে শুরু করে শনিবার সকাল পর্যন্ত মেঘনা নদী থেকে নিখোঁজ তিন ভাইবোনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

তারা হলেন- নিহত হেলাল উদ্দিনের মেয়ে সামিয়া আক্তার (১৭) ও দুই ছেলে সজীব হোসেন (২৪) ও সামিন হোসেন (৫)।

এছাড়া ঘটনার দিন রাশিদা বেগম (৪০) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের বাসিন্দা।

নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে কুমিল্লা থেকে সোনারগাঁওয়ে ট্রলারে করে আসছিলেন ১৩ জন। ট্রলারটিতে দুটি গরু ও একটি খাসি ছিল।

সোনাময়ী এলাকায় আমান সিমেন্ট কোম্পানির কারখানার কাছে পৌঁছালে নদীতে ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়। এতে নদীতে বড় ঢেউ সৃষ্টি হলে ট্রলারে পানি উঠতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে ডুবে যায়।

এসময় কাছাকাছি থাকা আমান সিমেন্ট কারখানার একটি ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তারা আটজনকে জীবিত উদ্ধার করে। আধঘণ্টা পর নদী থেকে রাশিদা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও চার জন নিখোঁজ ছিলেন। 

ট্রলারডুবির কারণ হিসেবে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, “এতে ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী তোলা হয়েছিল। সেটিতে ১৩ জন যাত্রী ও দুটি গরু এবং খাসি উঠানো হয়েছিল। ওই অবস্থায় নদী পার হওয়ার সময় ঝড় শুরু হলে ট্রলারটি ডুবে যায়।” 

   

About

Popular Links

x