Wednesday, October 07, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

নারী ক্রীড়াবিদদের হয়রানি রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম

নারী ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের হয়রানি ঠেকাতে “জিরো টলারেন্স” নীতি অনুসরণের সুপারিশ করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। পাশাপাশি যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে এবং ক্রীড়া ও কর্মমুখী কার্যক্রমে যুক্ত করতে বেকার যুবক-যুবতীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আওতায় আনার সুপারিশও করা হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এই কমিটির প্রথম বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি আবুল খায়ের ভুঁইয়া এমপির সভাপতিত্বে বৈঠকে বিশেষ আমন্ত্রণে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

বৈঠকে প্রতিবছর সারা দেশে উপজেলা পর্যায়ে নিয়মিত খেলাধুলা আয়োজনের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ নির্মাণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে বলা হয়। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট নির্মাণে সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলা হয়।

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রকল্প কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহির সঙ্গে দায়িত্ব পালনে গুরুত্ব দেয় কমিটি। নির্মাণকাজে ঠিকাদারেরা যাতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করতে না পারেন, সে জন্য যথাযথ নজরদারি ও মাননিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করারও সুপারিশ করা হয়।

এ ছাড়া “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২)” নিয়ে গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা নিতে বলেছে কমিটি।

বৈঠকের শুরুতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার কার্যক্রম নিয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কেও কমিটিকে অবহিত করা হয়।

একই দিন সংসদ ভবনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দেশের সব শিশুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সব শূন্য পদ দ্রুত পূরণ এবং প্রাথমিক স্তরে নৈতিক শিক্ষা বাধ্যতামূলকভাবে চালুর সুপারিশ করেছে কমিটি।

কমিটির সভাপতি মাহমুদা হাবিবার সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজসহ কমিটির সদস্যরা।

বিদ্যালয়ের চলমান ফিডিং কার্যক্রমে খাবারের মান ও শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত না হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ বাজেটের সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে এবং বিদ্যালয় চালু থাকা অবস্থায় কমিটির সদস্যদের সরেজমিনে কার্যক্রম পরিদর্শনের পরামর্শ দেওয়া হয়।

বৈঠকের শুরুতে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থার আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্য অর্থবছরের খাতওয়ারি বাজেট, ব্যয় বিভাজন ও ব্যয়পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

   

About

Popular Links

x