রাঙামাটির পর্যটনকেন্দ্র সাজেকের সড়কে আবারও অবরোধের ডাক দিয়েছে দুটি সংগঠন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এ কর্মসূচি শুরু হবে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা এবং সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা সংবাদমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমার মধ্যে জেএসএস (সন্তু লারমা) সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়াসহ সাজেকবাসীর তিন দফা দাবি পূরণে প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। তাই আবার অবরোধ ডাকা হয়েছে।
এর আগে সংগঠন দুটির ডাকে ১১ অক্টোবর সাজেক পর্যটন সড়কে অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়। পরদিন প্রশাসনের আশ্বাসে ৪৮ ঘণ্টার জন্য অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। সে সময় সাজেকে আটকেপড়া পর্যটকদের গন্তব্যে ফিরে যেতে বলা হয়। পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাজেক ভ্রমণ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
ফের অবরোধ ডাকার বিষয়ে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব বিজয় কান্তি চাকমা বলেন, “দেওয়া ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও দাবি বাস্তবায়ন হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালালেও তা কার্যকর হচ্ছে না। দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ চলবে।“
অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে জরুরি ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, লাশবাহী গাড়ি, জরুরি ওষুধ সরবরাহকারী ও সংবাদপত্র বহনকারী যান এবং সংবাদ সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত সাংবাদিকদের গাড়ি।
বিবৃতিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের বাড়িঘরে অভিযান চালানোর অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বলেন, “১১ তারিখে অবরোধকারীদের দাবির পর তাদের কারও বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়নি। তাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার মতো কোনো ঘটনাও ঘটেনি।“ তিনি আরও জানান, সাজেক এলাকা থেকে সশস্ত্র দলগুলোকে সরাতে সেনাবাহিনী চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে, যা এখনো চলছে। এলাকায় সক্রিয় দুই সশস্ত্র দল ইউপিডিএফ ও জেএসএস, দুই পক্ষকেই ধরতে এ অভিযান।



