মুন্সিগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীতে এমভি জাহিদ-৩ নামে একটি যাত্রীবাহী লঞ্চের ধাক্কায় সিমেন্টবাহী বাল্কহেড ডুবে ২ জন নিখোঁজ হয়েছেন।
শনিবার (২৬ মার্চ) ভোর ৬ টার দিকে মুন্সিগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীর মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকায় ঢাকাগামী লঞ্চটির ধাক্কায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
সকাল ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
এ ঘটনায় বাল্কহেডের লস্কর জুয়েল রানা (৩৫), মাষ্টার সুফিয়ান (৩৫), ও বিল্লাল (৩০) নামে ৩ জনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছে ২ জন।
নিখোঁজরা হলেন- মানিকগঞ্জের বাসিন্দা ও বাল্কহেডের সুকানি শরিফুল ইসলাম (২৮) ও একই এলাকার নুর ইসলাম (৪৫)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোরের দিকে যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি জাহিদ-৩ এর ধাক্কায় সিমেন্টবাহী বাল্কহেডটি ডুবে যায়। এতে বাল্কহেডে থাকা ৫ জনের মধ্যে ৩ জনকে উদ্ধার করা গেলেও ২ জন তলিয়ে যান।
উদ্ধার হওয়া বাল্কহেডের লস্কর জুয়েল রানা জানান, শনিবার ভোরে ক্রাউন সিমেন্ট ফ্যাক্টরি থেকে সাত হাজার সিমেন্টের বস্তা নিয়ে পাবনার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল বাল্কহেডটি। এ সময় এমভি জাহিদ-৩ নামে একটি লঞ্চ বাল্কহেডটিকে ধাক্কা দিলে সেটি পানিতে তলিয়ে যেতে শুরু করে। পরে তারা জীবন বাঁচাতে পানিতে লাফ দিলে স্থানীয়রা ৩ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
এ বিষয়ে মুক্তারপুর নৌ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ লুৎফর রহমান জানান, নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের অভিযান চলছে৷ বাল্কহেডটি উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, মাত্র ৬ দিন আগেই গত ২০ মার্চ দুপুরেই শীতলক্ষ্যা নদীতে নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সিগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী লঞ্চ এম এল আশরাফ উদ্দিন একটি কার্গো জাহাজের ধাক্কায় নারায়ণগঞ্জের কয়লাঘাট এলাকায় ডুবে যায়। এ ঘটনায় শিশুসহ ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।



