Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা সম্রাটের জামিন শুনানি ৬ জুলাই

মঙ্গলবার সম্রাটের জামিন শুনানি ও মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য থাকলেও অসুস্থতার কারণে তাকে আদালতে পাঠায়নি কারা কর্তৃপক্ষ 

আপডেট : ২১ জুন ২০২২, ০২:১৪ পিএম

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন ও অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ৬ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২১ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান এই আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র গণমাধমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এ দিন সম্রাটের জামিন শুনানি ও মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য থাকলেও অসুস্থতার কারণে তাকে আদালতে না পাঠিয়ে কাস্টডি ওয়ারেন্ট (হাজতি পরোয়ানা) পাঠায় কারা কর্তৃপক্ষ। এরপর বিচারক সম্রাটের জামিন ও অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ৬ জুলাই দিন ধার্য করেন।

এর আগে, গত ২৪ মে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে তার আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন সম্রাট। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

১৮ মে এ মামলায় সম্রাটের জামিন বাতিল করে আদেশ দেন বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ। একইসঙ্গে সম্রাটকে সাত দিনের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের এ আদেশ স্থগিত চেয়ে সম্রাট আপিল বিভাগে আবেদন করেন। আবেদনটির ওপর শুনানি নিয়ে ২৩ মে আদেশ দেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত না করে সম্রাটের আবেদনটি ৩০ মে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেন চেম্বার বিচারপতি।

মামলাটিতে সম্রাটের জামিন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলায় ১১ মে জামিন পেয়েছিলেন সম্রাট। এ মামলায় বিচারিক আদালতে জামিন পাওয়ার আগে সম্রাট তার বিরুদ্ধে থাকা আরও তিনটি মামলায় জামিন পান। চার মামলার সব কটিতেই জামিন পাওয়ায় ১১ মে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএসএমইউ) হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে কারামুক্তি পান সম্রাট। কারামুক্তির পর তিনি এ হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক ওরফে আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে রমনা থানায় মামলা করা হয়। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) সম্রাটের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং (অর্থ পাচার) আইনে মামলা করে। আর অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক।

   

About

Popular Links

x