Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস আজ

অটিজম একটি মানসিক বিকাশগত সমস্যা। এটি কোনো রোগ নয়

আপডেট : ০২ এপ্রিল ২০২৩, ০৯:২৮ এএম

আজ ২ এপ্রিল বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস। অটিজম বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। দিবসটিতে এবারের প্রতিপাদ্য “রূপান্তরের অভিযাত্রায় সবার জন্য নিউরোবান্ধব অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব গঠন”।

দিবসটি উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ প্রধান অতিথি থাকবেন। সভায় সভাপতিত্ব করবেন সমাজকল্যাণ সচিব জাহাঙ্গীর আলম। এ ছাড়া সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু বিশেষ অতিথি থাকবেন।

এ বছর বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশব্যাপী দিবসটি পালন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে দৈনিক পত্রিকায় বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হয়েছে।

অটিজম বিষয়ে বিশেষ অবদান রাখায় এ বছর পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ১০ জন ব্যক্তি ও ৩টি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে।

অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের সম্মানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনে নীল রঙের আলোকসজ্জা করা হবে। এ ছাড়া অটিজম বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে রোড ব্র্যান্ডিং, বিশেষ স্মরণিকা ও লিফলেট ছাপানো হয়েছে।

অটিজমে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্কদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সহায়তার প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৭ সালে ২ এপ্রিলকে “বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস” হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর থেকে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অটিজম একটি মানসিক বিকাশগত সমস্যা। এটি কোনো রোগ নয়। এতর কোনো স্থায়ী চিকিৎসা নেই। সঠিক পরিচর্যা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এসব শিশুদের একটি স্বাভাবিক জীবনে অভ্যস্ত করা সম্ভব।

একসময় অটিজম ছিল একটি অবহেলিত জনস্বাস্থ্য ইস্যু। এটি নিয়ে সমাজে নেতিবাচক ধারণা ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা ও স্কুল সাইকোলজিস্ট সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নিরলস প্রচেষ্টায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অটিজম বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে।

সায়মা ওয়াজেদ ২০০৭ সালে এ বিষয়ে দেশে কাজ শুরু করেন। তিনি এই অবহেলিত জনস্বাস্থ্য ইস্যুতে তার বিরাট অবদানের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বীকৃতি পেয়েছেন।

   

About

Popular Links

x