পাট উৎপাদনের সঙ্গে চার কোটি পরিবার জড়িত উল্লেখ করে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেছেন, “ন্যায্যমূল্য না পেলে এসব চাষি পাট চাষ ছেড়ে অন্য ফসলে চলে যাবে। তাই পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে।”
রবিবার (৪ জুন) দুপুরে ফরিদপুরে বহুমুখী পাট ও পাটজাত পণ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। শহরের অম্বিকা মেমোরিয়াল হলে চার দিনব্যাপী এ মেলা চলবে।
গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, “বিশ্ব দরবারে ভারত পাঠজাত ডায়ভারসি এবং ফিনিস পণ্যে আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে। আমরা পিছিয়ে থাকবো কেন? পাট আমাদের গর্ব। সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে তবুও আমরা পেছনে। আমরা পাটের ফিনিস পণ্যকে নিয়ে বিশ্ব দরবারে এগোতে চাই।”
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাটকে ২০২৩ সালের বর্ষ পণ্য ঘোষণা করেছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “পাটের আইন ঠিকমত মানতে হবে। দেশের খানা-খন্দগুলো বিভিন্ন দপ্তর মাছ চাষের জন্য লিজ দিয়ে রেখেছে। ভবিষ্যতে পাট জাগ দেওয়ার জায়গা রেখে লিজ দিন।”
তিনি বলেন, “পাটকে আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে। বঙ্গবন্ধুও পাটকে গুরুত্ব দিতেন। তিনি ৬ দফা আন্দোলনেও পাটের কথা বলেছেন। কারণ তখন পাকিস্তান সরকার চলতো এই পাটের টাকায়।”
বহুমুখী পাটজাত পণ্য তৈরিতে দক্ষ উদ্যোক্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ ফরিদপুর থেকে শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা আগে ট্রেনিং দিব। এ এলাকায় একটি ভালো জায়গা নির্ধারণ করে একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র করা হবে।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করে জেলা প্রশাসক মো. কামরুল আহসান তালুকদার। উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফ, অতিরিক্ত সচিব মো. মাহমুদ হোসেন, পাট অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. সেলিনা আক্তার, পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হকসহ অনেকে।



