এক ঘন্টার ব্যবধানে গুলিস্তান এলাকায় একটি বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৪ ডিসেম্বর) ২টা ২৩ মিনিটের দিকে গুলিস্তানের বাংলাদেশ বৃহত্তর ইসলামী পাইকারি মার্কেটের সামনে তানজিল পরিবহনের একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এর এক ঘণ্টা পর বিকেল ৩টা ৪৪ মিনিটের দিকে গুলিস্তানের পল্টন ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল জানায়, বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে আড়াইটার দিকে সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশনের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অন্যদিকে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট রেজাউলসহ দুইজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহত দুই পুলিশ সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাৎক্ষণিক তাদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
তানজিল পরিবহনের অগ্নিদগ্ধ বাসটির চালকের সহকারী মো. হাসান ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “বাসের পেছনের সিটে আগুন দেওয়া হয়। বাসে বেশি যাত্রী ছিলেন না। কয়েকজন স্কুল শিক্ষার্থী ছিল। তারা তৎক্ষণাৎ নেমে পড়েন। এক সেকেন্ডের মধ্যে পুরো বাসটাতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। চোখের সামনেই পুড়ে যায়।”

ককটেল বিস্ফোরণে আহত ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট রেজাউল বলেন, “গুলিস্তান জিরো পয়েন্টে বাস পোড়ানোর ঘটনায় যানজট তৈরি হয়েছিল। যানজট নিরসনে কাজ করছিলাম। ঠিক এ সময়ই আমার দুই পা সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরিত ককটেল এসে আমার পায়ে ছিটকে পড়ে। এতে পায়ের কিছুটা অংশ পুড়ে গেছে। কে বা কারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটালো তা বুঝতে পারিনি।”
পরপর দুটি সহিংসতার ঘটনায় গুলিস্তান এলাকায় পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। গুলিস্তানে আগত সাধারণ মানুষ, বাসচালক ও ফুটপাত ব্যবসায়ীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।



